৫/১৪. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৫২ - আমীন বলার সময় ও ফজিলত
সশব্দে আমীন বলা।
আমীন বলার সঠিক সময় ও হাদিসের শিক্ষা
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৮৫২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৮৫২
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ، وَجَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ الْمِصْرِيُّ، وَهَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ الْحَرَّانِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، جَمِيعًا عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «إِذَا أَمَّنَ الْقَارِئُ فَأَمِّنُوا فَمَنْ وَافَقَ تَأْمِينُهُ تَأْمِينَ الْمَلاَئِكَةِ غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ».
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন কোরআন পাঠকারী (ইমাম) আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বলো। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সাথে হয়, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়।
বুখারী ৭৮০-৮২, ৪৪৭৫, ৬৪০২; মুসলিম ৪১০/১-৪, তিরমিযী ২৫০, নাসায়ী ৯২৫-৩০, আবূ দাঊদ ৯৩৫-৩৬, আহমাদ ৭১৪৭, ৭২০৩, ৭৬০৪, ২৭৩৩৮, ২৭২১৫, ৯৫১২, ৯৬০৫; মুওয়াত্ত্বা মালিক ১৯৫-৯৭, দারিমী ১২৪৫-৪৬, মাজাহ ৮৫১, ৮৫৩। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৮৫২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের একই শিক্ষাকে আরেক সনদে বর্ণনা করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যখন কুরআন পাঠকারী বা ইমাম আমীন বলে, তখন তোমরাও আমীন বলো। যার আমীন বলা ফেরেশতাদের আমীন বলার সঙ্গে মিলে যায়, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। এখানে মুসল্লির জন্য দুটি বিষয় আছে। প্রথমত, আমীন বলা ইমামের আমীনের সঙ্গে যুক্ত। দ্বিতীয়ত, আমীন বলা মনোযোগের সঙ্গে হওয়া উচিত, যেন সময়ের মিল থাকে। এই হাদিস আমীন বলাকে সালাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়ার অংশ হিসেবে তুলে ধরে। মুসল্লিরা যদি ইমামের কিরাআত শুনে সঠিক সময়ে আমীন বলে, তাহলে সালাতের শৃঙ্খলা ও দোয়ার ভাব দুটোই বজায় থাকে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম আমীন বললে মুসল্লিরাও আমীন বলবে।
- আমীন বলার সময়ের মিল এই হাদিসে গুরুত্ব পেয়েছে।
- ফেরেশতাদের আমীনের সঙ্গে মিল ফজিলতের কারণ হিসেবে এসেছে।
- সালাতে দোয়া ও কিরাআতের প্রতি মনোযোগ রাখা দরকার।
