২৪/৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৫০ - উমরা দানের মালিকানা
উমরা (এমন দান যেখানে দানকারী ও দানগ্রহীতা পরস্পরের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে যাতে তাদের একজন স্থায়ীভাবে বাড়িটির মালিক হয়ে যায়, উমরাকে রুকবাও বলা হয়)।
উমরা দান কী: যাকে দেওয়া হয়েছে, সে-ই মালিক
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১০৫০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১০৫০
حديث جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِالْعُمْرَى، أنَّهَا لِمَنْ وُهِبَتْ لَهُ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) উমরাহ (বস্তু) সম্পর্কে ফয়সালা দিয়েছেন, যাকে দান করা হয়েছে, সে-ই সেটার মালিক হবে।
[উমরা এমন দান যেখানে দানকারী ও দানগ্রহীতা পরস্পরের মৃত্যু পর্যন্ত অপেক্ষা করবে যাতে তাদের একজন স্থায়ীভাবে বাড়িটির মালিক হয়ে যায়, উমরাকে রুকবাও বলা হয়। ]- সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫১: হিবা এর ফাযীলাত এবং এর জন্য উদ্বুদ্ধ করা, অধ্যায় ৩২, হাঃ ২৬২৫; মুসলিম, পর্ব ২৪ : হিবা, অধ্যায় ৪, হাঃ ১৬২৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১০৫০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় ‘উমরা’ বা জীবনস্বত্বে দান। জাবির (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) উমরা বস্তু সম্পর্কে ফয়সালা করেছেন যে, যাকে দান করা হয়েছে, সে-ই সেটির মালিক হবে। হাদিসের ভাষা খুব সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যায় বাড়তি শর্ত যোগ করা ঠিক নয়। সহজভাবে বলা যায়, কোনো বস্তু কাউকে উমরা হিসেবে দেওয়া হলে নবীজির ফয়সালায় গ্রহীতার মালিকানার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। “উমরা দান”, “জীবনস্বত্বে দান” ও “হিবা মালিকানা” এই হাদিসের প্রধান কীওয়ার্ড। ইসলামী স্কলারদের মতে উমরা ও রুকবা বিষয়ে আলাদা আলোচনাও আছে, তবে এই হাদিসে সরাসরি যে কথা এসেছে তা হলো—দান যাকে করা হয়েছে, মালিকানাও তার জন্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ‘উমরা’ হিসেবে দান করা বস্তু গ্রহীতার মালিকানা হিসেবে গণ্য হয়েছে।
- দানের বিষয়ে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ফয়সালা স্পষ্টভাবে অনুসরণীয়।
- সম্পদ দানের ভাষা ও উদ্দেশ্য পরিষ্কার রাখা দরকার।
- হিবা বা দান নিয়ে ঝগড়া এড়াতে নিয়ম জানা জরুরি।
