২৫/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৯২ - উমরা দান বৈধ হওয়ার হাদিস
উমরার [২১] বর্ণনা
উমরা দান জায়েয: হাদিসের সহজ ব্যাখ্যা
সহীহ মুসলিম : ৪০৯২
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৪০৯২
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «الْعُمْرَى جَائِزَةٌ».
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, আজীবনের জন্যে দান বৈধ।
ই.ফা. ৪০৫৪, ই.সে. ৪০৫৩
সহীহ মুসলিম হাদিস ৪০৯২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم সংক্ষিপ্ত ভাষায় বলেছেন, উমরা বা আজীবনের জন্য দান জায়েয। বাক্যটি ছোট হলেও দান সংক্রান্ত আলোচনায় এর গুরুত্ব অনেক। এখানে দানের ধরন হলো এমন দান, যা কারও জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া হয়। অন্যান্য নিকটবর্তী বর্ণনায় দেখা যায়, এ ধরনের দান দানগ্রহীতার অধিকারভুক্ত হয় এবং তার পরিজন বা ওয়ারিসদের সঙ্গেও যুক্ত হয়। তবে এই নির্দিষ্ট হাদিসে শুধু বৈধতার কথা এসেছে, তাই এর ব্যাখ্যায় বাড়তি দাবি করা উচিত নয়। মূল শিক্ষা হলো—উমরা দান শরিয়তের আলোচনায় স্বীকৃত একটি দানরূপ। কেউ দান করতে চাইলে তার ধরন, মালিকানা এবং পরবর্তী ফল বুঝে দান করা উচিত। এটি উমরা দানের বিধান খুঁজতে থাকা পাঠকের জন্য মূল হাদিসগুলোর একটি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- উমরা দানকে নবী صلى الله عليه وسلم জায়েয বলেছেন।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস হলেও দানের বিধানে এর গুরুত্ব আছে।
- দান করার আগে দানের ধরন বোঝা দরকার।
- ব্যাখ্যায় নির্দিষ্ট হাদিসের সীমা মানা উচিত।
