৩৩/২৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২২৪ - শত্রু দেশে কুরআন নেওয়ার নিষেধ
কাফিরদের ভূমিতে কুরআন মাজিদ নিয়ে সফর নিষিদ্ধ, যখন তাদের হস্তগত হওয়ার ভয় থাকে।
শত্রু দেশে কুরআন নিয়ে সফর: কুরআন সুরক্ষার শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২২৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২২৪
حديث عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهى أَنْ يُسَافَرَ بِالْقُرْآنِ إِلَى أَرْضِ الْعَدُوِّ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) কোরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু-দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৬ : জিহাদ ও যুদ্ধাভিযান, অধ্যায় ১২৯, হাঃ ২৯৯০; মুসলিম, পর্ব ৩৩: ইমারাত বা নেতৃত্ব, অধ্যায় ২৪, হাঃ ১৮৬৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২২৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রু দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, কিন্তু শিক্ষা স্পষ্ট। কুরআন আল্লাহর কালাম। তাই এমন জায়গায় তা নিয়ে যাওয়া নিষেধ করা হয়েছে, যেখানে তার অসম্মান বা ক্ষতির আশঙ্কা থাকতে পারে। এখানে মূল বিষয় হলো কুরআন সুরক্ষা ও কুরআনের মর্যাদা। হাদিসে অতিরিক্ত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি, তাই আমাদেরও মূল কথাতেই থাকা উচিত। নবী صلى الله عليه وسلم-এর নিষেধ থেকে বোঝা যায়, কুরআনের প্রতি সম্মান শুধু পড়া বা মুখস্থ করার মধ্যে সীমিত নয়; বরং তা বহন, সংরক্ষণ এবং নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রেও যত্ন দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরআনের মর্যাদা রক্ষা করা মুমিনের দায়িত্ব।
- যেখানে অসম্মানের আশঙ্কা থাকে, সেখানে সতর্কতা দরকার।
- নবী صلى الله عليه وسلم কুরআন বহনের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা দিয়েছেন।
- কুরআনের সাথে আচরণে সম্মান ও নিরাপত্তা বিবেচনা করা উচিত।
