৩৫/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৮০ - কুরবানীর সঠিক সময় ও বিসমিল্লাহ
কুরবানির সময়
কুরবানীর সময়: সালাতের পর আল্লাহর নামে যবেহ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১২৮০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১২৮০
حديث جُنْدَبٍ، قَالَ: صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَوْمَ النَّحْرِ ثُمَّ خَطَبَ ثُمَّ ذَبَحَ، فَقَالَ: مَنْ ذَبَحَ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ فَلْيَذْبَحْ أُخْرَى مَكَانَهَا، وَمَنْ لَمْ يَذْبَحْ فَلْيذْبَحْ بِاسْمِ اللهِ
জুন্দাব ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) কুরবানীর দিন সালাত আদায় করেন, অতঃপর খুত্বা দেন। অতঃপর যবেহ করেন এবং তিনি বলেনঃ সালাতের পূর্বে যে ব্যক্তি যবেহ করবে তাকে তার স্থলে আর একটি যবেহ করতে হবে এবং যে যবেহ করেনি, আল্লাহ্র নামে তার যবেহ করা উচিত।
সহীহ বুখারী, পর্ব ১৩: দু' ঈদ, অধ্যায় ২৩, হাঃ ৯৮৫; মুসলিম, পর্ব ৩৫: কুরবানী, অধ্যায় ১, হাঃ ১৯৬০
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১২৮০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুরবানীর দিনের গুরুত্বপূর্ণ বিধান এসেছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) প্রথমে সলাত আদায় করেন, তারপর খুতবা দেন, এরপর যবেহ করেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি সলাতের আগে যবেহ করবে, তাকে তার স্থলে আরেকটি যবেহ করতে হবে। আর যে এখনো যবেহ করেনি, সে যেন আল্লাহর নামে যবেহ করে। এখানে কুরবানীর দুটি মূল শিক্ষা আছে। প্রথমত, কুরবানীর নির্দিষ্ট সময় আছে; তাড়াহুড়া করে সালাতের আগে করলে তা যথেষ্ট নয়। দ্বিতীয়ত, যবেহের সময় আল্লাহর নাম নেওয়া দরকার। কুরবানী শুধু গোশত সংগ্রহের বিষয় নয়; এটি ইবাদত, তাই নিয়ম মেনে করা জরুরি। হাদিসটি কুরবানীর সঠিক সময়, সালাতের গুরুত্ব এবং বিসমিল্লাহ বলে যবেহ করার বিষয় একসঙ্গে শেখায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কুরবানীর যবেহ ঈদের সালাতের পর করতে হয়।
- সালাতের আগে যবেহ করলে তার বদলে আরেকটি যবেহ করতে হবে।
- যবেহ আল্লাহর নামে করা উচিত।
- কুরবানী ইবাদত, তাই নিয়ম মেনে করা জরুরি।
