৩৭/৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৪৫ - অসুস্থতায় রেশমী জামার অনুমতি
চুলকানি বা চর্মরোগের কারণে পুরুষের জন্য রেশমি কাপড় ব্যবহার বৈধ।
চুলকানির কারণে রেশমী জামা: প্রয়োজনের ক্ষেত্রে অনুমতি
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩৪৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩৪৫
حديث أَنَسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، رَخَّصَ لِعَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ عَوْفٍ وَالزُّبَيْرِ فِي قَمِيصٍ مِنْ حَرِيرٍ، مِنْ حَكَّةٍ كَانَتْ بِهِمَا
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ‘আবদুর রহমান ইব্নু ‘আওফ (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ)-কে তাঁদের শরীরে চুলকানি থাকায় রেশমী জামা পরিধান করতে অনুমতি দিয়েছিলেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৬ : জিহাদ ও যুদ্ধাভিযান, অধ্যায় ৯১, হাঃ ২৯১৯; মুসলিম, পর্ব ৩৭ : পোশাক ও অলঙ্কার, অধ্যায় ৩, হাঃ ২০৭৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৪৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রেশমী জামা সম্পর্কে একটি বিশেষ অবস্থা বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) ও যুবায়র (রাঃ)-কে রেশমী জামা পরার অনুমতি দেন, কারণ তাঁদের শরীরে চুলকানি ছিল। তাই এই হাদিসকে সাধারণ রেশম পরার অনুমতি হিসেবে ধরা ঠিক নয়; এখানে কারণ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—চুলকানি। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ইসলামী নির্দেশে মানুষের বাস্তব কষ্টও বিবেচনায় আসে। তবে শর্তহীনভাবে নিজের ইচ্ছামতো রেশমী পোশাক ব্যবহার করার কথা এখানে নেই। বরং বিশেষ প্রয়োজন, নির্দিষ্ট কারণ এবং নবীজির অনুমতি—এই তিনটি বিষয় একসঙ্গে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিশেষ শারীরিক সমস্যায় রেশমী জামার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
- হাদিসের কারণ আলাদা করে বুঝা জরুরি।
- প্রয়োজনের অনুমতিকে সাধারণ নিয়ম বানানো ঠিক নয়।
