৩৮/১. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৮৩ - নবীজির নাম ও উপনামের আদব

আবুল কাসেম নামে কুনিয়াত বা উপনাম রাখা মাকরূহ এবং মুস্তাহাব নামসমূহের বর্ণনা।

নবীজির নামে নাম রাখা যাবে, কিন্তু কুনিয়াত নয়

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩৮৩

حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ أَبُو الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: سَمُّوا بِاسْمِي وَلاَ تَكْتَنُوا بِكْنْيَتِي

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আবুল কাসিম তথা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমরা আমার আসল নামে নাম রাখতে পার, কিন্তু আমার উপনাম কারো জন্য রেখ না।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১ : মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ২০, হাঃ ৩৫৩৭; মুসলিম, পর্ব ৩৮: আচার-ব্যবহার, অধ্যায় ১, হাঃ ২১৩১

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৮৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা পরিষ্কার। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তোমরা আমার আসল নামে নাম রাখতে পার, কিন্তু আমার উপনাম কারো জন্য রেখ না। এখানে মূল বিষয় হলো নবীজির নাম ও কুনিয়াতের আদব। মুসলিম সমাজে সন্তানদের সুন্দর নাম রাখার গুরুত্ব আছে। নবীজির নামের প্রতি ভালোবাসা থেকেও মানুষ নাম রাখতে পারে। কিন্তু হাদিসে একটি সীমা দেওয়া হয়েছে—তাঁর বিশেষ উপনাম বা কুনিয়াত ব্যবহার করা যাবে না। তাই নাম রাখার ক্ষেত্রে ভালোবাসা, সম্মান এবং নির্দেশ—সবকিছুর ভারসাম্য রাখা দরকার। এই হাদিস আমাদের শেখায়, দ্বীনের ছোট মনে হওয়া বিষয়েও নবীজির নির্দেশকে গুরুত্ব দিতে হয়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজির আসল নামে নাম রাখা অনুমোদিত।
  • নবীজির বিশেষ কুনিয়াত অন্যের জন্য রাখা নিষেধ করা হয়েছে।
  • নাম রাখার ক্ষেত্রেও রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ মানা উচিত।
  • ভালোবাসার সঙ্গে আদব রক্ষা করা ইসলামী শিষ্টাচারের অংশ।

এই সম্পর্কিত হাদিসসমূহ

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন