৩৮/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৮২ - আবদুর রহমান নাম রাখার শিক্ষা
আবুল কাসেম নামে কুনিয়াত বা উপনাম রাখা মাকরূহ এবং মুস্তাহাব নামসমূহের বর্ণনা।
সন্তানের সুন্দর নাম: আবদুর রহমান নাম রাখার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৩৮২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৩৮২
حديث جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: وُلِدَ لِرَجُلٍ مِنَّا غُلاَمٌ، فَسَمَّاهُ الْقَاسِمَ، فَقُلْنَا: لاَ نَكْنِيكَ أَبَا الْقَاسِمِ، وَلاَ كَرَامَةَ فَأَخْبَرَ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: سَمِّ ابْنَكَ عَبْدَ الرَّحْمنِ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমাদের একজনের একটি ছেলে জন্ম নিল। সে তার নাম রাখলো ‘ক্বাসিম’। আমরা বললামঃ আমরা তোমাকে আবুল ক্বাসিম ডাকবো না আর সে সম্মানও দিব না। তিনি এ কথা নবী (ﷺ)-কে জানালে তিনি বললেনঃ তোমার ছেলের নাম রাখ ‘আবদুর রহমান’
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৮: আদব-আচার, অধ্যায় ১০৫, হাঃ ৬১৮৬; মুসলিম, পর্ব ৩৮ : আচার-ব্যবহার, অধ্যায় ১, হাঃ ২১৩৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৩৮২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সন্তানের নাম রাখার একটি সরল শিক্ষা আছে। একজনের ছেলে জন্ম নিলে তিনি তার নাম রাখেন ক্বাসিম। লোকেরা তাকে আবুল ক্বাসিম বলে ডাকতে রাজি হয়নি। কারণ আবুল কাসিম ছিল রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পরিচিত কুনিয়াত। পরে তিনি বিষয়টি নবীজিকে জানালে নবীজি বলেন, তোমার ছেলের নাম রাখ আবদুর রহমান। হাদিসের আলোকে বোঝা যায়, নাম শুধু পরিচয়ের জন্য নয়; এতে আদব ও অর্থের বিষয়ও আছে। নবীজি এমন একটি নাম নির্দেশ করেছেন, যা আল্লাহর বান্দা হওয়ার অর্থ বহন করে। তাই সন্তানের নাম রাখার সময় শুধু সুন্দর শব্দ নয়, ভালো অর্থ এবং ইসলামী আদবও খেয়াল রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সন্তানের নাম রাখার সময় ভালো অর্থের দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
- নবীজির বিশেষ কুনিয়াতের সম্মান রক্ষা করা দরকার।
- বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে জ্ঞানীর কাছে জিজ্ঞাসা করা ভালো।
- আবদুর রহমান একটি সুন্দর ও অর্থবহ নাম হিসেবে হাদিসে এসেছে।
