৪৩/১৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪৯৯ - নবীজির লজ্জাশীলতা
নবী (ﷺ) ছিলেন অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের।
নবীজির লজ্জাশীলতা: শালীন চরিত্রের সুন্দর হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৪৯৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৪৯৯
حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَشَدَّ حَيَاءً مِنْ الْعَذْرَاءِ فِي خِدْرِهَا
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) গৃহবাসিনী পর্দানশীন কুমারীদের চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১; মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ২৩, হাঃ ৩৫৬২; মুসলিম, পর্ব ৪৩: ফাযায়েল, অধ্যায় ১৬, হাঃ ২৩২০
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪৯৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم-এর লজ্জাশীলতার বর্ণনা এসেছে। আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) বলেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم গৃহবাসিনী পর্দানশীন কুমারীর চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু চরিত্র গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। লজ্জাশীলতা এখানে দুর্বলতা নয়; বরং শালীনতা, ভদ্রতা এবং অপছন্দনীয় বিষয় থেকে নিজেকে সংযত রাখার একটি গুণ। নবীজির চরিত্র নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস একটি সরল ছবি দেয়। কথাবার্তা, দৃষ্টি, আচরণ এবং মানুষের সঙ্গে মেলামেশায় লজ্জা ও শালীনতা রাখা ইসলামী আদবের অংশ। তবে ব্যাখ্যার সময় হাদিসের ভাষা ছাড়িয়ে অতিরিক্ত গল্প যোগ করার প্রয়োজন নেই। তাই লজ্জাশীলতা ব্যক্তিগত চরিত্র, সামাজিক আচরণ এবং আল্লাহর সামনে জবাবদিহির অনুভূতির সঙ্গে জড়িত। এই গুণ মানুষকে অশালীনতা থেকে দূরে রাখে এবং ব্যবহারকে নরম ও সম্মানজনক করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- লজ্জাশীলতা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সুন্দর চরিত্রের অংশ।
- শালীনতা দুর্বলতা নয়; এটি ভদ্র আচরণের গুণ।
- কথা ও আচরণে সংযম রাখা শেখা যায়।
- নিজের চরিত্রে লজ্জা ও ভদ্রতা রাখা দরকার।
