৪৪/৩৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১৭ - হাস্সান (রাঃ)-এর সঙ্গে জিবরীল
হাসসান বিন সাবিত (রাঃ)-এর মর্যাদা।
শত্রুর কুৎসার জবাব: হাস্সান (রাঃ)-এর সঙ্গে জিবরীল
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬১৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৬১৭
حديث الْبَرَاءِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِحَسَّانَ: اهْجُهُمْ أَوْ هَاجِهِمْ وَجِبرِيلُ مَعَكَ
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) হাস্সান (রাঃ)-কে বলেছেন, তুমি তাদের কুৎসা বর্ণনা কর অথবা তাদের কুৎসার জবাব দাও। তোমার সঙ্গে জিবরীল (আঃ) আছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫৯: সৃষ্টির সূচনা, অধ্যায় ৬, হাঃ ৩২১৩; মুসলিম, পর্ব ৪৪ : সাহাবীগণের মর্যাদা, অধ্যায়, ৪৩, হাঃ ২৪৮৬
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বারাআ (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) হাস্সান (রাঃ)-কে বলেছিলেন, তুমি তাদের কুৎসা বর্ণনা কর অথবা তাদের কুৎসার জবাব দাও; তোমার সঙ্গে জিবরীল আছেন। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, তবে এতে একটি স্পষ্ট শিক্ষা আছে: যখন নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিরুদ্ধে শত্রুরা কথা বলত, তখন হাস্সান (রাঃ) কবিতার মাধ্যমে জবাব দিতেন। এটি ব্যক্তিগত রাগের কথা নয়; বরং রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষ থেকে জবাব দেওয়ার বিষয়। এখানে জিবরীল (আ.)-এর সঙ্গে থাকার কথা এসেছে, তাই এ কাজের বিশেষ মর্যাদা বোঝা যায়। তবে হাদিসে যতটুকু বলা হয়েছে, আমাদের ব্যাখ্যাও ততটুকুতেই সীমিত রাখা উচিত। সত্যের পক্ষে ভাষা ব্যবহার করা এই বর্ণনার মূল শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শত্রুর কুৎসার জবাব সত্যের পক্ষে দেওয়া যেতে পারে।
- হাস্সান (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষ থেকে কবিতার মাধ্যমে জবাব দিতেন।
- জিবরীল (আ.)-এর সঙ্গে থাকার কথা এ কাজের বিশেষ মর্যাদা দেখায়।
- ভাষা ও কবিতা সত্যের সেবায় ব্যবহৃত হলে তা কল্যাণের মাধ্যম হতে পারে।
