৪৪/৩৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১৮ - হাস্সান (রাঃ)-কে গালি না দেওয়ার শিক্ষা
হাসসান বিন সাবিত (রাঃ)-এর মর্যাদা।
হাস্সান (রাঃ)-কে গালি নয়: নবী صلى الله عليه وسلم-এর পক্ষ সমর্থনের মর্যাদা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬১৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৬১৮
حديث عَائِشَةَ عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ: ذَهَبْتُ أَسُبُّ حَسَّانَ عِنْدَ عَائِشَةَ، فَقَالَتْ: لاَ تَسُبُّهُ، فَإِنَّهُ كَانَ يُنَافِحُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
‘উরওয়াহ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সম্মুখে হাস্সান (রাঃ)-কে তিরস্কার করতে উদ্যত হলে, তিনি আমাকে বললেন, তাঁকে গালি দিও না। সে নবী (ﷺ)-এর তরফ হতে কবিতার মাধ্যমে শত্রুর কথার আঘাত প্রতিহত করত।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬১: মর্যাদা ও গুণাবলী, অধ্যায় ১৬, হাঃ ৩৫৩১; মুসলিম, পর্ব ৪৪; সাহাবীগণের মর্যাদা, অধ্যায়, ৪৩, হাঃ ২৪৮৯
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬১৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উরওয়া (রহঃ) বলেন, তিনি আয়িশা (রাঃ)-এর সামনে হাস্সান (রাঃ)-কে তিরস্কার করতে উদ্যত হন। তখন আয়িশা (রাঃ) বলেন, তাকে গালি দিও না; সে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর তরফ থেকে কবিতার মাধ্যমে শত্রুর কথার আঘাত প্রতিহত করত। এখানে আয়িশা (রাঃ) একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়েছেন। একজন সাহাবীর কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলার আগে তাঁর ভালো কাজ ও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষ সমর্থনের ভূমিকা স্মরণ করা দরকার। হাদিসটি আমাদের ভাষা নিয়ন্ত্রণ শেখায়। কাউকে তিরস্কার করা সহজ, কিন্তু তার সেবার দিকটিও দেখা উচিত। হাস্সান (রাঃ)-এর ক্ষেত্রে আয়িশা (রাঃ) তাঁর সেই বিশেষ কাজের কথা তুলে ধরেছেন, যা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষে ছিল।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবীদের সম্পর্কে কথা বলার সময় সতর্ক থাকা উচিত।
- হাস্সান (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পক্ষ থেকে শত্রুর কথার জবাব দিতেন।
- কাউকে গালি দেওয়ার আগে তার ভালো কাজ স্মরণ করা দরকার।
- আয়িশা (রাঃ) ভাষার সংযম ও ন্যায়ের শিক্ষা দিয়েছেন।
