৪৮/১৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৭৩৮ - খন্দকের সময়ে তাওহীদ ও বিজয়ের যিকির
যে সমস্ত খারাপ কাজ কেউ করেছে বা করেনি তা থেকে আশ্রয় চাওয়া।
তাওহীদ ও বিজয়ের যিকির: সাহায্য এক আল্লাহর পক্ষ থেকে
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৭৩৮
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৭৩৮
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ يَقُولُ: لاَ إِلهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ أَعَزَّ جُنْدَهُ وَنَصَرَ عَبْدَهُ وَغَلَبَ الأَحْزَابَ وَحْدَهُ فَلاَ شَيْءَ بَعْدَهُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (খন্দকের যুদ্ধের সময়) বলতেন, এক আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই। তিনিই তাঁর বাহিনীকে মর্যাদাবান করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। এরপর শত্রু ভয় বলতে আর কিছুই থাকল না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৪ : মাগাযী, অধ্যায় ৩০, হাঃ ৪১১৪; মুসলিম, পর্ব ৪৮; আল্লাহ তা'আলার যিকরের প্রতি উৎসাহ প্রদান, অধ্যায় ১৮, হাঃ ২৭২৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৭৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো তাওহীদ ও আল্লাহর সাহায্য। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) খন্দকের যুদ্ধের সময় বলতেন—এক আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনিই তাঁর বাহিনীকে মর্যাদাবান করেছেন, তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং তিনি একাই সম্মিলিত বাহিনীকে পরাভূত করেছেন। হাদিসে বিজয়ের কৃতিত্ব মানুষের শক্তি বা সংখ্যার দিকে দেওয়া হয়নি; বরং আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বান্দার মন তাওহীদের দিকে থাকে। ভয়, চাপ বা শত্রুর মুখোমুখি অবস্থায়ও মুমিন বুঝে—সাহায্য আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে। এই যিকির কৃতজ্ঞতা, ভরসা ও আল্লাহর একত্ব স্মরণ করায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিজয় ও সাহায্যের কৃতিত্ব আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।
- কঠিন অবস্থাতেও তাওহীদের ঘোষণা মুমিনকে স্থির রাখে।
- আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেন—এ কথা হাদিসে এসেছে।
- শত্রু-ভয়ের সময় আল্লাহর স্মরণ ভরসা জাগায়।
