৩/৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৭৭ - জানাবাত অবস্থায় ওজু করে ঘুমানো
জুনুবী ব্যক্তির ঘুমিয়ে থাকা বৈধ তবে তার জন্য ওজু করা মুস্তাহাব।
জানাবাত অবস্থায় ঘুমানো যাবে কি? ওজুর শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৭৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৭৭
حديث ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْقُدْ وَهُوَ جُنُبٌ
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমাদের কেউ জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ, ওযু করে নিয়ে জানাবাতের অবস্থায়ও ঘুমাতে পারে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫: গোসল, অধ্যায় ২৬, হাঃ ২৮৭; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৬, হাঃ ৩০৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-কে জিজ্ঞেস করেন, আমাদের কেউ কি জানাবাত অবস্থায় ঘুমাতে পারবে? রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেন, হ্যাঁ; যখন তোমাদের কেউ ওজু করবে, তখন সে জানাবাত অবস্থায় ঘুমাতে পারে। হাদিসটি একটি সরাসরি প্রশ্ন ও পরিষ্কার জবাব। মূল শিক্ষা হলো, জানাবাত অবস্থায় ঘুমানোর আগে ওজু করা। এখানে ভয় বা অযথা কঠিন করার বদলে একটি সহজ পথ দেখানো হয়েছে। পবিত্রতার বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, আর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) অনুমতির সঙ্গে ওজুর কথা বলেছেন। তাই এই হাদিস মুসলিমকে শেখায়, দ্বীনের বিষয় জানার জন্য প্রশ্ন করা ভালো, আর পবিত্রতার কাজে রাসূলের দেখানো পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাবাত অবস্থায় ঘুমানোর আগে ওজুর কথা এসেছে।
- দ্বীনি বিষয় না জানলে সরাসরি প্রশ্ন করা উচিত।
- রাসূল (صلى الله عليه وسلم) সহজ ও পরিষ্কার জবাব দিয়েছেন।
- পবিত্রতা বজায় রেখে ঘুমানোর শিক্ষা পাওয়া যায়।
