৩/১. অধ্যায়ঃ
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَتْ إِحْدَانَا إِذَا كَانَتْ حَائِضًا، فَأَرادَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ يُبَاشِرَهَا، أَمَرَهَا أَنْ تَتَّزِرَ فِي فَوْرِ حَيْضَتِهَا، ثُمَّ يُبَاشِرُهَا قَالَتْ: وَأَيُّكُمْ يَمْلِك إِرْبَهُ كَمَا كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَمْلِكُ إِرْبَهُ
আমাদের কেউ হায়য অবস্থায় থাকলে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) তাঁর সাথে মিশামিশি করতে চাইলে তাঁকে প্রবল হায়যে ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তারপর তাঁর সাথে মিশামিশি করতেন। তিনি [‘আয়িশা (রাঃ)] বলেনঃ তোমাদের মধ্যে নবী (ﷺ)-এর মত কাম-প্রবৃত্তি দমন করার শক্তি রাখে কে?
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬: হায়য, অধ্যায় ৫, হাঃ ৩০২; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ১, হাঃ ২৯৩
حديث مَيْمُونَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ، أَمَرَهَا فَاتَّزَرَتْ وَهِيَ حَائِضٌ
রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়য অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাঁকে ইযার পরতে বলতেন। শায়বনী (রহঃ) হতে সুফিয়ান (রহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬; হায়য, অধ্যায় ৫, হাঃ ৩০৩; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়, অধ্যায় ১, হাঃ ২৯৪
৩/২. অধ্যায়ঃ
حديث أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: بَيْنَا أَنَا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُضْطَجِعَةٌ فِي خَمِيلَةٍ، حِضْتُ، فَانْسَلَلْتُ، فَأَخَذْتُ ثِيَابَ حَيْضَتِي؛ فَقَالَ: أَنُفِسْتِ قُلْتُ: نَعَمْ فَدَعَانِي فَاضْطَجَعْتُ مَعَهُ فِي الْخَمِيلَةِ
আমি নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে একই চাদরের নিচে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমার হায়য দেখা দিলে আমি চুপি চুপি বেরিয়ে গিয়ে হায়যের কাপড় পরে নিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার কি নিফাস দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, ‘হাঁ’। তখন তিনি আমাকে ডাকলেন। আমি তাঁর সঙ্গে চাদরের ভেতর শুয়ে পড়লাম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬; হায়য, অধ্যায় ২২, হাঃ ২৯৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ২, হাঃ ২৯৬
حديث أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ: وَكُنْتُ أَغْتَسِلُ أَنَا وَالنَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ إِنَاءٍ وَاحِدٍ مِنَ الْجَنَابَةِ
আমি ও নবী (ﷺ) একই পাত্র হতে পানি নিয়ে জানাবাতের গোসল করতাম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬: হায়য, অধ্যায় ২১, হাঃ ৩২২; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ২, হাঃ ২৯৬
৩/৩. অধ্যায়ঃ
حديث عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَتْ: وَإِنْ كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَيُدْخِلُ عَلَىَّ رَأْسَهُ وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ فأُرَجِّلُهُ، وَكَانَ لاَ يَدْخُلُ الْبيْتَ إِلاَّ لِحَاجَةٍ إِذَا كَانَ مُعْتَكِفًا
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) মসজিদে থাকাবস্থায় আমার দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন আর আমি তা আঁচড়িয়ে দিতাম এবং তিনি যখন ইতিকাফে থাকতেন তখন (প্রাকৃতিক) প্রয়োজন ব্যতীত ঘরে প্রবেশ করতেন না।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ৩, হাঃ ২৪৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৯, হাঃ ৩১৬
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ، وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَهُوَ مُعْتَكِفٌ فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ
আল্লাহর নবী (ﷺ) আমার হায়য অবস্থায় আমার সাথে মিশামিশি করতেন। আর তিনি ইতিকাফরত অবস্থায় মসজিদ হতে তাঁর মাথা বের করে দিতেন, আমি ঋতুবতী অবস্থায় তা ধুয়ে দিতাম।
সহীহুল বুখারী পর্ব ৩৩, অধ্যায় ৪, হাঃ ৩০১; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায়, হাঃ ৩১৬
حديث عَائِشَةَ، حَدَّثَتْ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَانَ يَتَّكِى فِي حَجْرِي وَأَنَا حَائِضٌ ثُمَّ يَقْرأُ الْقُرْآنَ
নবী (ﷺ) আমার কোলে হেলান দিয়ে কোরআন তিলাওয়াত করতেন। আর তখন আমি ঋতুবতী ছিলাম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬: হায়য, অধ্যায় ৩, হাঃ ২৯৭; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৩, হাঃ ৩০১
৩/৪. অধ্যায়ঃ
حديثُ عَلِيٍّ، قَالَ: كُنْتُ رَجُلاً مَذَّاءً فَاسْتَحْيَيْتُ أَنْ أَسْأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأَمَرْتُ الْمِقْدَادَ ابْنَ الأَسْوَدِ فَسَأَلَهُ؛ فَقَالَ: فِيهِ الْوُضُوءُ
তিনি বলেনঃ ‘আলী (রাঃ) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইব্নু আসওয়াদ (রাঃ)-কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেনঃ এতে শুধু ওযু করতে হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: ওযু, অধ্যায় ৩৪, হাঃ ১৭৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৪, হাঃ ৩০৩
৩/৬. অধ্যায়ঃ
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يَنَامَ وَهُوَ جُنُبٌ غَسَلَ فَرْجَهُ وَتَوَضَّأَ لِلصَّلاَةِ
নবী (ﷺ) যখন জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে ইচ্ছে করতেন তখন তিনি লজ্জাস্থান ধুয়ে সালাতের ওযুর মত ওযু করতেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫: গোসল, অধ্যায় ২৭, হাঃ ২৮৮; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৬, হাঃ ৩০৫
حديث ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ سَأَلَ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيَرْقُدُ أَحَدُنَا وَهُوَ جُنُبٌ قَالَ: نَعَمْ، إِذَا تَوَضَّأَ أَحَدُكُمْ فَلْيَرْقُدْ وَهُوَ جُنُبٌ
তিনি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ আমাদের কেউ জানাবাতের অবস্থায় ঘুমাতে পারবে কি? তিনি বললেনঃ হাঁ, ওযু করে নিয়ে জানাবাতের অবস্থায়ও ঘুমাতে পারে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৫: গোসল, অধ্যায় ২৬, হাঃ ২৮৭; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ৬, হাঃ ৩০৬