৩/১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬৯ - হায়য অবস্থায় ইযার পরার নির্দেশ
লুঙ্গির উপর হায়িযওয়ালী নারীর সাথে শরীর মেশানো।
হায়য অবস্থায় ইযার পরা: সতর্কতার সহজ শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৬৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৬৯
حديث مَيْمُونَةَ، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا أَرَادَ أَنْ يُبَاشِرَ امْرَأَةً مِنْ نِسَائِهِ، أَمَرَهَا فَاتَّزَرَتْ وَهِيَ حَائِضٌ
মায়মূনাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলাল্লাহ্ (ﷺ) তাঁর কোন স্ত্রীর সাথে হায়য অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাঁকে ইযার পরতে বলতেন। শায়বনী (রহঃ) হতে সুফিয়ান (রহঃ) এ বর্ণনা করেছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬; হায়য, অধ্যায় ৫, হাঃ ৩০৩; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়, অধ্যায় ১, হাঃ ২৯৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৬৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মাইমূনা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তাঁর কোনো স্ত্রীর সঙ্গে হায়য অবস্থায় মিশামিশি করতে চাইলে তাকে ইযার পরতে বলতেন। বর্ণনায় শায়বানী (রহ.) হতে সুফিয়ান (রহ.)-এর কথাও এসেছে। হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এর শিক্ষা পরিষ্কার। হায়যের সময় স্বামী-স্ত্রীর কাছাকাছি থাকার ক্ষেত্রেও একটি সীমা ও সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। এখানে হাদিসের বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত ব্যাখ্যা দেওয়া ঠিক নয়। শুধু এতটুকু বলা যায়, রাসূল (صلى الله عليه وسلم) এমন অবস্থায় ইযার পরার নির্দেশ দিতেন। তাই মুসলিমের উচিত ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়েও পবিত্রতা, সতর্কতা ও সংযমকে গুরুত্ব দেওয়া। সম্পর্ক থাকবে, তবে আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم)-এর দেখানো সীমা মেনে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়য অবস্থায় ইযার পরার নির্দেশ এসেছে।
- স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয়েও সতর্কতা দরকার।
- পবিত্রতার সীমা মানা ইসলামী আদবের অংশ।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও বাস্তব জীবনের শিক্ষা পাওয়া যায়।
