৩/১০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬ - গোসল ও ওজুতে পানির পরিমাণ
ফরজ গোসলে কী পরিমাণ পানি ব্যবহার করা মুস্তাহাব।
গোসল ও ওজুতে পানির পরিমাণ: সুন্নাহর সংযত শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৬
حديث أَنَسٍ، قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْسِلُ، أَوْ كَانَ يَغْتَسِلُ بِالصَّاعِ إِلَى خَمْسَةِ أَمْدَادٍ، وَيَتَوَضَّأُ بِالْمُدِّ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এক সা‘ (৪ মুদ) হতে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং ওজু করতেন এক মুদ দিয়ে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪: উযূ, অধ্যায় ৪৭, হাঃ ২০১; মুসলিম, পর্ব ৩: হায়য, অধ্যায় ১০, হাঃ ৩২৫
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আনাস (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর গোসল ও ওজুর পানির পরিমাণ বর্ণনা করেছেন। তিনি গোসল করতেন এক সা থেকে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দিয়ে, আর ওজু করতেন এক মুদ পানি দিয়ে। হাদিসটির মূল শিক্ষা হলো, পবিত্রতা অর্জনে পানি লাগে, কিন্তু পানির ব্যবহার সীমার মধ্যে হতে পারে। এখানে পানির অপচয় নিয়ে আলাদা আলোচনা নেই; তবে বর্ণিত পরিমাণ থেকে বোঝা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে গোসল ও ওজুতে মাপা পানি ব্যবহারের দৃষ্টান্ত ছিল। যারা ওজুতে কত পানি লাগে, গোসলের পানির পরিমাণ, বা সুন্নাহ অনুযায়ী পানি ব্যবহার জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি সরাসরি উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- গোসলের জন্য এক সা থেকে পাঁচ মুদ পানির বর্ণনা এসেছে।
- ওজুর জন্য এক মুদ পানি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
- পবিত্রতা অর্জনে পানি ব্যবহার করা হলেও তা মাপা হতে পারে।
- গোসল ও ওজু—দুটির পানির পরিমাণ আলাদা করে এসেছে।
