৪/৩০. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৫৫ - নারীদের আচরণ ও মসজিদে যাওয়ার সতর্কতা
ফিতনার ভয় না থাকলে মহিলাদের মসজিদে গমন এবং মহিলারা সুগন্ধি মেখে বাইরে যাবে না।
নারীর মসজিদে যাওয়া: অনুমতির সঙ্গে সতর্কতার শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২৫৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২৫৫
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: لَوْ أَدْرَكَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَا أَحْدَثَ النِّسَاءُ لَمَنَعَهُنَّ الْمَسَاجِدَ كَمَا مُنِعَتْ نِسَاءُ بَنِي إِسْرَائِيلَ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যদি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) জানতেন যে, নারীরা কি অবস্থা সৃষ্টি করেছে, তাহলে বনী ইসরাঈলের নারীদের যেমন বারণ করা হয়েছিল, তেমনি এদেরও মসজিদে আসা নিষেধ করে দিতেন। (রাবী) ইয়াহিয়া ইব্নু সা‘ঈদ (রহঃ) বলেন, আমি আমরাহ্ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, তাদের কি বারণ করা হয়েছিল? তিনি বললেন, হাঁ।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০; আযান, অধ্যায় ১৬৩, হাঃ ৮৬৯; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৩০, হাঃ ৪৪৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৫৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ)-এর একটি মন্তব্য এসেছে। তিনি বলেন, যদি আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) জানতেন নারীরা কী অবস্থা সৃষ্টি করেছে, তাহলে বনী ইসরাঈলের নারীদের যেমন বারণ করা হয়েছিল, তেমনি এদেরও মসজিদে আসা নিষেধ করে দিতেন। এরপর রাবী আমরাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, বনী ইসরাঈলের নারীদের বারণ করা হয়েছিল। এই বর্ণনায় সরাসরি নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই; বরং আয়িশা (রাঃ)-এর পর্যবেক্ষণ এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা জরুরি। হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, নারীর মসজিদে যাওয়া অনুমতির বিষয় হলেও আচরণ, শালীনতা ও পরিবেশের দিকে খেয়াল রাখা দরকার। এটি মসজিদের আদব ও সামাজিক সতর্কতার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদে যাওয়ার ক্ষেত্রে শালীনতা ও আদব রক্ষা করা জরুরি।
- আয়িশা (রাঃ) নারীদের কিছু নতুন অবস্থার বিষয়ে সতর্ক মন্তব্য করেছেন।
- এই বর্ণনায় বনী ইসরাঈলের নারীদের নিষেধের কথা উল্লেখ আছে।
- ইবাদতের সুযোগের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণও দরকার।
