৪/৫১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৮৯ - বিতর সালাতের জন্য জাগানো
সালাত আদায়কারীর সামনে আড়াআড়িভাবে শোয়া।
বিতর সালাতের জন্য জাগানো: আয়িশা (রাঃ)-এর সহজ বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ২৮৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ২৮৯
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي وَأَنَا رَاقِدَةٌ مُعْتَرِضَةٌ عَلَى فِرَاشِهِ، فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يُوتِرَ أَيْقَظَنِي فَأَوْتَرْتُ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সালাত আদায় করতেন আর আমি তখন তাঁর বিছানায় আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতাম। বিত্র পড়ার সময় তিনি আমাকেও জাগাতেন, তখন আমিও বিত্র পড়তাম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮ : সালাত, অধ্যায় ১০৩, হাঃ ৫১২; মুসলিম, পর্ব ৪ : সালাত, অধ্যায় ৫১, হাঃ ৫১২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ২৮৯-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী صلى الله عليه وسلم সালাত আদায় করতেন আর তিনি তাঁর বিছানায় আড়াআড়িভাবে ঘুমিয়ে থাকতেন। যখন নবী صلى الله عليه وسلم বিতর পড়তে চাইতেন, তখন তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে জাগাতেন। এরপর আয়িশা (রাঃ) নিজেও বিতর পড়তেন। এখানে মূল বিষয় হলো বিতর সালাত, ঘরের সালাত, এবং পরিবারের মানুষকে ইবাদতের জন্য জাগিয়ে দেওয়া। হাদিসটি খুব কোমল ও বাস্তব। এতে দেখা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم নিজের সালাত আদায়ের পাশাপাশি আয়িশা (রাঃ)-কেও বিতরের সময় স্মরণ করিয়ে দিতেন। তবে হাদিসে শুধু বিতরের সময় জাগানোর ঘটনাই এসেছে; এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিতর সালাতের সময় আয়িশা (রাঃ)-কে জাগানোর বর্ণনা এসেছে।
- ঘরের পরিবেশেও সালাত ও ইবাদতের যত্ন ছিল।
- পরিবারের কাউকে ইবাদতের কথা মনে করিয়ে দেওয়া সুন্দর আচরণ।
