৬/২৫. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৪৩৫ - রমজানে রাত জেগে ইবাদতের ফজিলত
রমাযানের রাতের কিয়ামের বা ইবাদতের প্রতি উৎসাহ প্রদান আর তা হচ্ছে (কিয়ামু রমাযান) তারাবীহ।
রমজানের রাতের ইবাদত: ঈমান ও সওয়াবের আশায় দাঁড়ানো
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৪৩৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৪৩৫
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا واحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি রমজানের রাতে ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৭; পথে আটকা পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৩৭; মুসলিম, পর্ব ৬: মুসাফির ব্যক্তির সালাত ও তা কসর করার বর্ণনা, অধ্যায় ২৫, হাঃ ৭৬০
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৪৩৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় রমজানে রাত জেগে ইবাদত। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের রাতে ঈমানসহ এবং সওয়াবের আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়। এখানে দুটি শর্ত স্পষ্ট—ঈমান এবং পুণ্যের আশা। তাই রমজানের রাতের সালাত বা কিয়ামে রমজান শুধু বাহ্যিক কাজ নয়; এর সঙ্গে অন্তরের বিশ্বাস ও আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা যুক্ত। যারা তারাবির ফজিলত, কিয়ামে রমজান বা রমজানের রাতের ইবাদত সম্পর্কে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিসটি মূল শিক্ষা দেয়। তবে গুনাহ ক্ষমার কথা হাদিসে যেমন এসেছে, তেমনই বলা উচিত; অতিরিক্ত দাবি যোগ করা ঠিক নয়। তাই পাঠকের জন্য নিরাপদ পথ হলো, বর্ণনার মূল শব্দগুলো ধরে আমলটি শান্তভাবে বুঝে নেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রাতে ঈমানসহ ইবাদতের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
- সওয়াবের আশায় ইবাদত করার কথা হাদিসে স্পষ্ট এসেছে।
- কিয়ামে রমজান অন্তরের নিয়ত ও বিশ্বাসের সঙ্গে যুক্ত।
- হাদিসে পূর্বের গুনাহ ক্ষমার সুসংবাদ এসেছে।
