২/২৮. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৭ - রমজানের রাতে ইবাদতের ফজিলত
রমজানের রাত্রিতে নফল ইবাদত ঈমানের অঙ্গ।
রমজানের রাতের ইবাদত: ঈমান ও নেকির আশার হাদিস
সহীহ বুখারী : ৩৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৭
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، قَالَ حَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ قَالَ «مَنْ قَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি রমজানের রাতে ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানের রাতে ঈমানসহ এবং নেকির আশায় রাত জেগে ইবাদত করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। এখানে রমজানের রাতের ইবাদতের গুরুত্ব এসেছে। তবে হাদিসের ভাষায় শুধু বাহ্যিক রাত জাগা নয়; ঈমান এবং নেকির আশা শর্ত হিসেবে এসেছে। এর মানে, ইবাদত যেন লোক দেখানো বা অভ্যাসের কাজ না হয়; বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সওয়াবের আশা নিয়ে হয়। রমজান তাই শুধু দিনের সিয়াম নয়, রাতের ইবাদত, দোয়া এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসারও সময়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রাতে ইবাদত গুরুত্বপূর্ণ নেক আমল।
- ইবাদতে ঈমান ও সওয়াবের আশা থাকা দরকার।
- রমজান দিনে সিয়াম এবং রাতে ইবাদতের সুযোগ দেয়।
- গুনাহ মাফের আশায় আল্লাহর কাছে ফিরে আসা উচিত।
