২/২৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৮ - ঈমানসহ রমজানের সিয়াম
সওয়াবের আকাঙ্ক্ষায় রমজানের সিয়াম পালন ঈমানের অঙ্গ।
রমজানের সিয়াম: ঈমান ও নেকির আশায় রোজার হাদিস
সহীহ বুখারী : ৩৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৮
حَدَّثَنَا ابْنُ سَلاَمٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، قَالَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানসহ পুণ্যের আশায় রমজানের সিয়াম ব্রত পালন করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানসহ এবং নেকির আশায় রমজানের সিয়াম পালন করে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হয়। রমজানের রোজা শুধু ক্ষুধা-পিপাসা সহ্য করার নাম নয়। এর সঙ্গে ঈমান, আল্লাহর আদেশ মানা এবং সওয়াবের আশা জড়িত। হাদিসটি রোজার ভেতরের উদ্দেশ্যকে পরিষ্কার করে। একজন মুমিন রমজানের সিয়াম পালন করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, মানুষের প্রশংসার জন্য নয়। তাই রোজা যেন শুধু নিয়ম পালন না হয়ে, অন্তরের বিশ্বাস ও আল্লাহর কাছে ক্ষমা পাওয়ার আশা নিয়ে হয়—এই শিক্ষা এখানে স্পষ্ট।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের সিয়াম ঈমানের সঙ্গে পালন করা উচিত।
- রোজার উদ্দেশ্য হওয়া দরকার আল্লাহর নেকি লাভের আশা।
- রমজান গুনাহ মাফের আশার বড় সুযোগ।
- রোজা শুধু বাহ্যিক কষ্ট নয়, অন্তরের আমলও।
