৩১/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২০০৮ - ঈমান ও সওয়াবের আশায় কিয়ামে রমজান
কিয়ামে রমজান- এর (রমজানে তারাবীর সালাতের) গুরুত্ব।
কিয়ামে রমজান: ঈমান ও সওয়াবের আশায় তারাবীহর ফজিলত
সহীহ বুখারী : ২০০৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০০৮
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ، أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِرَمَضَانَ " مَنْ قَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ) - কে রমজান সম্পর্কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি রমজানে ঈমানের সাথে সওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমজান অর্থাৎ তারাবীর সালাত আদায় করবে তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ২০০৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমজানের রাতের সালাত বা কিয়ামে রমজানের বড় ফজিলত এসেছে। আল্লাহর রসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমজানে ঈমানের সাথে এবং সওয়াব লাভের আশায় কিয়ামে রমজান, অর্থাৎ তারাবীর সালাত আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে। এখানে দুটি শর্ত স্পষ্ট: ঈমান এবং সওয়াবের আশা। শুধু অভ্যাস বা মানুষের দেখাদেখি নয়, বরং আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও প্রতিদানের আশায় দাঁড়ানোই মূল বিষয়। যারা ‘তারাবির সালাতের ফজিলত’, ‘কিয়ামে রমজান হাদিস’ বা ‘রমজানে রাতের নামাজ’ খোঁজেন, তাদের জন্য এই হাদিসটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এতে রমজানের রাতকে ইবাদতের মাধ্যমে কাজে লাগানোর শিক্ষা পাওয়া যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের রাতের সালাত ঈমান ও সওয়াবের আশায় আদায় করা উচিত।
- কিয়ামে রমজানের সঙ্গে পূর্ববর্তী গুনাহ মাফের সুসংবাদ এসেছে।
- ইবাদতে নিয়ত ও অন্তরের আশা গুরুত্বপূর্ণ।
