১২/৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৫৭২ - ফিতরার খাদ্যদ্রব্যের ধরন
মুসলিমদের উপর যাকাতুল ফিতর হিসাবে খেজুর ও যব প্রদান।
সদাকাতুল ফিতরের খাদ্যদ্রব্য: এক সা‘ পরিমাণের শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৫৭২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৫৭২
حديث أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا نُخْرِجُ زَكَاةَ الْفِطْرِ صَاعًا مِنْ طَعَامٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ تَمْرٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ أَقِطٍ، أَوْ صَاعًا مِنْ زَبِيبٍ
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা এক সা‘আ পরিমাণ খাদ্য অথবা এক সা‘আ পরিমাণ যব অথবা এক সা‘আ পরিমাণ খেজুর অথবা এক সা‘আ পরিমাণ পনির অথবা এক সা‘আ পরিমাণ কিসমিস দিয়ে সদাকাতুল ফিতর আদায় করতাম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৪ : যাকাত, অধ্যায় ৭৩, হাঃ ১৫০৬; মুসলিম, পর্ব ১২: যাকাত, অধ্যায় ৪, হাঃ ৯৮৫
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৫৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাঁদের আমলের কথা বলেছেন। তাঁরা সদাকাতুল ফিতর আদায় করতেন এক সা‘ পরিমাণ খাদ্য, অথবা এক সা‘ যব, অথবা এক সা‘ খেজুর, অথবা এক সা‘ পনির, অথবা এক সা‘ কিসমিস দিয়ে। এখানে ফিতরার খাদ্যদ্রব্যের কয়েকটি ধরন সরাসরি এসেছে। সবগুলোর সঙ্গে পরিমাণ হিসেবে এক সা‘ বলা হয়েছে। তাই এই হাদিস “ফিতরা কী দিয়ে দেওয়া যায়” এবং “সদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ কত” জানতে খুব সহায়ক। হাদিসের ভাষা থেকে বোঝা যায়, সাহাবিদের সময়ে প্রচলিত খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ফিতরা আদায় করা হতো। তবে এর বাইরে আধুনিক অর্থমূল্য বা স্থানীয় ফিকহি সিদ্ধান্ত এখানে বলা হয়নি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহাবিরা এক সা‘ পরিমাণ খাদ্য দিয়ে ফিতরা আদায় করতেন।
- যব, খেজুর, পনির ও কিসমিসের কথা হাদিসে এসেছে।
- ফিতরার পরিমাণ হিসেবে এক সা‘ বারবার উল্লেখ হয়েছে।
- ফিতরা খাদ্যদ্রব্য দিয়ে আদায়ের একটি সরাসরি বর্ণনা এটি।
