১৩/৮. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬২ - বিলালের আযান ও সাহরীর সময়
ফজর উদিত হওয়ার সাথে সাথে সাওম শুরু হয়, ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য কাজ চলবে এবং ফজর সালাতের শুরু ইত্যাদির বর্ণনা।
বিলালের আযান শুনেও সাহরী খাওয়ার নিয়ম
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৬২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৬২
حديث ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: إِنَّ بِلاَلاً يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُنَادِيَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দেন। কাজেই ইব্নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা (সাহ্রীর) পানাহার করতে পার।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১০ : আযান, অধ্যায় ১১, হাঃ ৬১৭; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ৮, হাঃ ১০৯২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরীর সময় নিয়ে একটি পরিষ্কার দিকনির্দেশনা এসেছে। আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم বলেছেন, বিলাল (রাঃ) রাত থাকতেই আযান দেন। তাই তাঁর আযান শুনে সাহরী বন্ধ করে দিতে বলা হয়নি। বরং ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান না দেওয়া পর্যন্ত পানাহার করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এখান থেকে বোঝা যায়, রোজার জন্য সাহরীর শেষ সময় ফজরের সাথে যুক্ত, রাতের আগের আযানের সাথে নয়। যারা ‘বিলালের আযান’ বা ‘সাহরীর শেষ সময়’ খুঁজে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সরল শিক্ষা দেয়: সময়ের পার্থক্য বুঝে আমল করতে হবে। হাদিসের বক্তব্যের বাইরে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে, এতে যে নির্দেশ এসেছে সেটিই গ্রহণ করা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিলাল (রাঃ)-এর রাতের আযান সাহরী বন্ধের সময় নয়।
- ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ)-এর আযান পর্যন্ত সাহরী খাওয়ার অনুমতি ছিল।
- রোজার সময় নির্ধারণে সঠিক আযান ও ফজরের সময় বুঝা জরুরি।
