১৩/৮. অধ্যায়ঃ

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৩ - ফজরের আযান ও সাহরীর শেষ সময়

ফজর উদিত হওয়ার সাথে সাথে সাওম শুরু হয়, ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত পানাহার ও অন্যান্য কাজ চলবে এবং ফজর সালাতের শুরু ইত্যাদির বর্ণনা।

ফজরের আযান না হওয়া পর্যন্ত সাহরী খাওয়ার শিক্ষা

আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৬৩

حديث عَائِشَةَ، أَنَّ بِلاَلاً كَانَ يُؤَذِّنُ بِلَيْلٍ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: كُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يُؤَذِّنَ ابْنُ أُمِّ مَكْتُومٍ، فَإِنَّهُ لاَ يُؤَذِّنُ حَتَّى يَطْلُعَ الْفَجْرُ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বিলাল (রাঃ) রাতে আযান দিতেন। তাই আল্লাহর রাসূল (ﷺ) ইরশাদ করেনঃ ইব্‌নু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান না দেয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর। কেননা ফজর না হওয়া পর্যন্ত সে আযান দেয় না।

সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ১৭, হাঃ ১৯১৮, ১৯১৯; মুসলিম, পর্ব ১৩; সওম, অধ্যায় ৮, হাঃ ১০৯২

আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৩-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে সাহরীর শেষ সময় আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। আয়িশাহ (রাঃ) জানান, বিলাল (রাঃ) রাতে আযান দিতেন। তখন রাসূল صلى الله عليه وسلم নির্দেশ দেন, ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা খাও ও পান কর। কারণ তিনি ফজর উদয় না হওয়া পর্যন্ত আযান দিতেন না। মূল বিষয় হলো, সাহরী শেষ করার সময় রাতের আযান নয়, বরং ফজরের শুরু। তাই ‘ফজরের আযান পর্যন্ত সাহরী’ কথাটি এই হাদিসের আলোকে বোঝা যায়। তবে এখানে নির্দিষ্ট দুই মুয়াজ্জিনের প্রসঙ্গ এসেছে, তাই সাধারণভাবে নিজের এলাকার নির্ভরযোগ্য ফজরের সময় মেনে চলা উচিত—এটি হাদিসের মূল কথার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বুঝ।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • ফজর শুরু না হওয়া পর্যন্ত ইবনু উম্মু মাকতূম (রাঃ) আযান দিতেন না।
  • রাতের আযান ও ফজরের আযানের মধ্যে পার্থক্য আছে।
  • সাহরীর সময় বুঝতে ফজরের প্রকৃত সময় জানা দরকার।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন