১৩/৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৬ - সাহরী ও ফজরের মাঝের সময়
সাহরির ফাযায়েল এবং তা গ্রহণের প্রতি গুরুত্বারোপ এবং সাহরি দেরি করে খাওয়া এবং ইফতার জলদি করা মুস্তাহাব।
সাহরী থেকে ফজর: পঞ্চাশ-ষাট আয়াত সময়ের শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৬৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৬৬
حديث زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ عَنْ أَنَسٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ حَدَّثَه أَنَّهُمْ تَسَحَّرُوا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثُمَّ قَامُوا إِلَى الصَّلاَةِ، قُلْتُ: كَمْ بَيْنَهُمَا قَالَ: قَدْرُ خَمْسِينَ أَوْ سِتِّينَ، يَعْنِي آيَةً
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তাঁরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে সাহরী খেয়েছেন, অতঃপর ফজরের সালাতে দাঁড়িয়েছেন। আনাস (রাঃ) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, এ দুইয়ের মাঝে কতটুকু সময়ের ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ বা ষাট আয়াত তিলাওয়াত করা যায়, এরূপ সময়ের ব্যবধান ছিল।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৯ : সালাতের সময়সমূহ, অধ্যায় ২৭, হাঃ ৫৭৫; মুসলিম, পর্ব ১৩ : সওম, অধ্যায় ৯, হাঃ ১০৯৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৬৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরী ও ফজরের সালাতের মাঝের সময়ের একটি বাস্তব চিত্র এসেছে। যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) জানান, তাঁরা নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সাহরী করেছেন, এরপর ফজরের সালাতে দাঁড়িয়েছেন। আনাস (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, এই দুইয়ের মাঝে কত সময় ছিল? উত্তরে বলা হলো, পঞ্চাশ বা ষাট আয়াত তিলাওয়াত করা যায়—এতটুকু সময়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, সাহরী দেরিতে করা হতো, তবে ফজরের সালাতের আগে সামান্য বিরতি থাকত। ‘সাহরী ও ফজরের মাঝে সময়’ বা ‘সাহরী কখন শেষ করা ভালো’—এ ধরনের খোঁজে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে হাদিসে মিনিটের হিসাব দেওয়া হয়নি; আয়াত তিলাওয়াতের সময় দিয়ে বোঝানো হয়েছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সাহরী করার পর ফজরের সালাতে দাঁড়ানো হতো।
- সাহরী ও সালাতের মাঝে পঞ্চাশ বা ষাট আয়াত পড়ার মতো সময় ছিল।
- হাদিসে নির্দিষ্ট মিনিট নয়, তিলাওয়াতের সময় দিয়ে ব্যবধান বোঝানো হয়েছে।
