১৩/২২. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৯৭ - ঈদের দিনে রোজা নিষেধ
ঈদুল ফিতর এবং কুরবানির দিন সাওম পালন নিষিদ্ধ।
ঈদের দিনে রোজা নিষেধ: উমার (রাঃ)-এর বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৯৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৯৭
حديث عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رضي الله عنه، قَالَ: هذَانِ يَوْمَانِ نَهى رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِمَا: يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ، وَالْيَوْمُ الآخَرُ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ
বনূ আয্হারের আযাদকৃত গোলাম আবূ ‘উবাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি একদা ঈদে ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম, তখন তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এ দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ঈদুল ফিত্রের দিন) যে দিন তোমরা তোমাদের সওম ছেড়ে দাও। আরেক দিন, যেদিন তোমরা তোমাদের কুরবানীর গোশত খাও।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সপ্তম, অধ্যায় ৬৬, হাঃ ১৯৯০; মুসলিম, পর্ব ১৩; সওম, অধ্যায় ২২, হাঃ ১১৩৭
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৯৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه وسلم) দুই দিনে সাওম পালন করতে নিষেধ করেছেন। এক দিন হলো ঈদুল ফিতর, যেদিন মানুষ রমাযানের সাওম শেষ করে। আরেক দিন হলো কুরবানীর দিন, যেদিন মানুষ কুরবানীর গোশত খায়। এখানে ঈদের আনন্দ, খাওয়া এবং আল্লাহর দেওয়া সুযোগ গ্রহণের বিষয় আছে। ঈদের রোজা, ঈদুল ফিতরের রোজা এবং ঈদুল আযহার রোজা—এসব বিষয়ে এই হাদিস সরাসরি দলিল। তাই ঈদের দিন নফল বা সাধারণ সাওম রাখার চেষ্টা করা ঠিক নয়। দীন শুধু কষ্টের নাম নয়; আল্লাহর দেওয়া আনন্দের দিনও সম্মানের সঙ্গে পালন করতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ঈদুল ফিতরের দিনে সাওম রাখা নিষেধ।
- ঈদুল আযহার দিনেও সাওম রাখা নিষেধ।
- ঈদের দিন খাওয়া ও আনন্দ শরিয়তের অংশ।
- নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নিষেধ মানা ইবাদতের অংশ।
