১৪/৩. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৩০ - শেষ দশকে রাত জেগে ইবাদতের প্রস্তুতি
রমাযানের শেষ দশদিন (বিভিন্ন ইবাদতের) যথাসাধ্য চেষ্টা করা।
রমাযানের শেষ দশকে রাত জেগে ইবাদতের নববী শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭৩০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭৩০
حديث عَائِشَةَ، قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِذَا دَخَلَ الْعَشْرُ شَدَّ مِئْزَرَهُ وَأَحْيَا لَيْلَهُ، وَأَيْقَظَ أَهْلَهُ
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যখন রমজানের শেষ দশক আসত তখন নবী (ﷺ) তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন (বেশি বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন) এবং রাত্র জেগে থাকতেন ও পরিবার-পরিজনকে জাগিয়ে দিতেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩২: লাইলাতুল কদর-এর ফাযীলাত, অধ্যায় ৫, হাঃ ২০২৪; মুসলিম, পর্ব ১৪ : ইতিকাফ, অধ্যায় ৩, হাঃ ১১৭৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রমাযানের শেষ দশক আসলে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর বিশেষ প্রস্তুতির কথা এসেছে। আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, শেষ দশক এলে তিনি তাঁর লুঙ্গি কষে নিতেন, অর্থাৎ বেশি ইবাদতের প্রস্তুতি নিতেন। তিনি রাত জেগে থাকতেন এবং পরিবার-পরিজনকেও জাগিয়ে দিতেন। এখানে মূল শিক্ষা হলো—শেষ দশককে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে কাটানো। শুধু নিজে জেগে থাকা নয়, পরিবারের মানুষদেরও ইবাদতের দিকে উৎসাহ দেওয়া নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে ছিল। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই নির্দিষ্ট কোনো ইবাদতের তালিকা দেওয়া হয়নি। তবে রাত জাগা, প্রস্তুতি নেওয়া এবং পরিবারকে জাগানো—এই তিনটি বিষয় পরিষ্কারভাবে এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমাযানের শেষ দশকে ইবাদতের জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া উচিত।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) শেষ দশকে রাত জেগে থাকতেন।
- পরিবারকে ইবাদতের জন্য জাগানো ভালো কাজ হিসেবে এসেছে।
- শেষ দশককে সাধারণ দিনের মতো না কাটানোর শিক্ষা পাওয়া যায়।
