১৫/১৭. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৬০ - তানঈম থেকে আয়িশা রাঃ-এর উমরাহ
ইহরামের প্রকারভেদ, আর তা হজ্জে ইফরাদ এবং তামাত্তু এবং কিরান এবং হজ্জ ও উমরাহকে যুক্ত করা বৈধ এবং হজ্জ কারেন আদায়কারী কখন তার ইহরাম থেকে হালাল হবে।
তানঈম থেকে উমরাহ: আয়িশা রাঃ-কে নিয়ে আবদুর রহমান রাঃ-এর দায়িত্ব
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭৬০
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭৬০
حديث عَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَمَرَهُ أَنْ يُرْدِفَ عَائِشَةَ وَيُعْمِرَهَا مِنَ التَّنْعِيمِ
‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তাঁকে তাঁর সওয়ারীর পিঠে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-কে বসিয়ে তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ করানোর নির্দেশ দেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৬ : উমরাহ, অধ্যায় ৬, হাঃ ১৭৮৪; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ১৭, হাঃ ১২১২
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৬০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসটি সংক্ষিপ্ত, কিন্তু বিদায় হজ্জে ‘আয়িশা রাঃ-এর উমরাহর ঘটনার একটি মূল অংশ জানায়। আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর রাঃ বর্ণনা করেন, নবী صلى الله عليه وسلم তাঁকে নির্দেশ দেন যেন তিনি নিজের সওয়ারীর পিঠে ‘আয়িশা রাঃ-কে বসান এবং তাঁকে তানঈম থেকে ‘উমরাহ করান। এখানে মূল বিষয় হলো তানঈম থেকে ‘উমরাহর ইহরাম ও পরিবারের একজন মাহরাম পুরুষের সঙ্গে যাওয়ার বাস্তব ব্যবস্থা। হাদিসে দীর্ঘ ব্যাখ্যা নেই, তাই আমরা এটুকুই বুঝি যে নবী صلى الله عليه وسلم নিজেই এই যাত্রার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এটি আগের বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে ‘আয়িশা রাঃ-এর বাদ পড়া ‘উমরাহ সম্পন্ন করার অংশ হিসেবে আসে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী صلى الله عليه وسلم আবদুর রহমান রাঃ-কে ‘আয়িশা রাঃ-কে তানঈম থেকে ‘উমরাহ করানোর নির্দেশ দেন।
- পরিবারের সদস্যকে ইবাদতের কাজে সাহায্য করা সুন্দর দায়িত্ব।
- হাদিসে তানঈম থেকে ‘উমরাহ করার একটি নির্দিষ্ট ঘটনা এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা বুঝতে একই বিষয়ের কাছাকাছি বর্ণনাগুলোর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সহায়ক।
