১৫/৩৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৯৪ - তাওয়াফে রামল ও সাফা-মারওয়ার সাঈ
উমরার ও তাওয়াফে এবং হজ্জের প্রথম তাওয়াফে রমল করা মুস্তাহাব।
তাওয়াফে রামল ও সাফা-মারওয়ার সাঈ: নবীজির আমল
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭৯৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭৯৪
حديث ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ الطَّوَافَ الأَوَّلَ يَخُبُّ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ، وَيَمْشِي أَرْبَعَةً، وَأَنَّهُ كَانَ يَسْعَى بَطْنَ الْمَسِيلِ إِذَا طَافَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বায়তুল্লাহ পৌঁছে প্রথম তাওয়াফ করার সময় প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন এবং পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হেঁটে চলতেন। সাফা ও মারওয়ায় সা‘ঈ করার সময় উভয় টিলার মধ্যবর্তী নিচু স্থানটুকু দ্রুতগতিতে চলতেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ২৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৬৩, হাঃ ১৬১৭; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ১২৬১
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তাওয়াফে রামল এবং সাফা-মারওয়ার সাঈ সম্পর্কে পরিষ্কার বর্ণনা আছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বায়তুল্লাহ পৌঁছে প্রথম তাওয়াফে প্রথম তিন চক্করে রামল করতেন, অর্থাৎ দ্রুত ও জোর কদমে চলতেন। পরের চার চক্করে তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটতেন। আবার সাফা ও মারওয়ার মাঝের সাঈতে দুই টিলার মধ্যবর্তী নিচু অংশে দ্রুত চলতেন। তাই হজ্জ ও উমরাহর তাওয়াফের পদ্ধতি, প্রথম তিন চক্করের রামল এবং সাঈর বিশেষ অংশে দ্রুত চলার বিষয় জানতে এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাখ্যায় এখানকার আমলগুলোকেই মূল রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রথম তাওয়াফে প্রথম তিন চক্করে রামলের বর্ণনা এসেছে।
- পরবর্তী চার চক্করে স্বাভাবিক গতিতে হাঁটার কথা এসেছে।
- সাফা-মারওয়ার মাঝের নিচু অংশে দ্রুত চলার আমল বর্ণিত হয়েছে।
- তাওয়াফ ও সাঈর পদ্ধতি হাদিস থেকে শেখা উচিত।
