১৬/১৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯১২ - স্বামীর শয্যা ছেড়ে থাকার সতর্কতা
স্ত্রীর জন্য স্বামীর বিছানা হতে বিচ্ছিন্ন থাকা হারাম।
স্বামীর শয্যা ত্যাগ করা নিয়ে হাদিসের সতর্কতা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৯১২
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৯১২
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: إِذَا بَاتَتِ الْمَرْأَةُ مُهَاجِرَةً فِرَاشَ زَوْجِهَا لَعَنَتْهَا الْمَلاَئِكَةُ حَتَّى تَرْجِعَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেন, যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর শয্যা ছেড়ে অন্যত্র রাত্রি যাপন করে এবং যতক্ষণ না সে তার স্বামীর শয্যায় ফিরে আসে, ততক্ষণ ফেরেশতারা তার ওপর লানত বর্ষণ করতে থাকে।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৬৭: বিবাহ, অধ্যায় ৮৫, হাঃ ৫১৯৪; মুসলিম, পর্ব ১৬ : নিকাহ বা বিবাহ, অধ্যায় ২০, হাঃ ১৪৩৬
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯১২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো দাম্পত্য অধিকার ও সম্পর্কের দায়িত্ব। নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, কোনো স্ত্রী যদি স্বামীর শয্যা ছেড়ে অন্যত্র রাত কাটায় এবং স্বামীর শয্যায় ফিরে না আসে, তবে ফেরেশতারা তার ওপর লা‘নত করতে থাকে যতক্ষণ না সে ফিরে আসে। হাদিসের ভাষা কঠোর সতর্কতার। তাই এটিকে হালকাভাবে নেওয়া ঠিক নয়। একই সঙ্গে ব্যাখ্যার সময় হাদিসের বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা উচিত নয়। এখানে সরাসরি যে বিষয়টি এসেছে তা হলো, দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব, অবহেলা ও অকারণে বিছানা ছেড়ে থাকা গুরুতর বিষয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক পারস্পরিক দায়িত্বের; এই হাদিস স্ত্রীকে সেই দায়িত্বের কথা স্মরণ করায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাম্পত্য শয্যা ছেড়ে থাকা গুরুতর বিষয় হিসেবে এসেছে।
- স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক দায়িত্ব ও অধিকারের সম্পর্ক।
- অকারণে দূরত্ব তৈরি করা পরিবারে সমস্যা বাড়াতে পারে।
- হাদিসে স্ত্রীকে ফিরে আসার গুরুত্ব স্মরণ করানো হয়েছে।
