৪/২৫. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১১১-[১] - তিনজন হলে একজন ইমাম হবে
ইমাম ও মুক্তাদির দাঁড়াবার স্থান - প্রথম অনুচ্ছেদ
তিনজন হলে একজন সামনে গিয়ে ইমামতি করবে
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১১১-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১১১-[১]
عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ قَالَ: أَمَرَنَا رَسُولُ اللّهِ ﷺ إِذَا كُنَّا ثَلَاثَةً أَنْ يَتَقَدَّمَنَا أَحَدُنَا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ
সামুরাহ্ ইবনু জুনদুব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদেরকে আদেশ করেছেন। যখন আমাদের তিন লোক সালাত আদায় করবে তখন আমাদের একজন (উত্তম ব্যক্তি) সামনে চলে যাবে অর্থাৎ ইমামতি করবে। (তিরমিযী) [১]
[১] সানাদ য‘ঈফ : আত্ তিরমিযী ২৩৩। কারণ এর সানাদে ইসমা‘ঈল বিন মুসলিম একজন দুর্বল রাবী এবং হাসান মুদাল্লিস রাবী।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১১১-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) তিনজন মুসল্লির সালাতের জন্য সহজ নিয়ম শিখিয়েছেন। যখন তিনজন মানুষ সালাত আদায় করবে, তখন তাদের একজন সামনে যাবে, অর্থাৎ ইমামতি করবে। এতে বোঝা যায়, ছোট দল হলেও সালাতের জামাআত শৃঙ্খলিতভাবে আদায় করা উচিত। তিনজন একসাথে দাঁড়িয়ে এলোমেলোভাবে সালাত না পড়ে একজনকে ইমাম বানানো উত্তম পদ্ধতি। এই হাদিসে ইমাম নির্বাচনের বিস্তারিত শর্ত বলা হয়নি; শুধু তিনজন হলে একজনকে সামনে যাওয়ার নির্দেশ এসেছে। তাই মূল শিক্ষা হলো, জামাআতের সালাতে নেতৃত্ব ও অনুসরণের একটি নিয়ম আছে, যা সালাতকে সুশৃঙ্খল করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তিনজন হলে একজন ইমামতি করবে।
- ছোট জামাআতেও শৃঙ্খলা রাখা দরকার।
- ইমাম সামনে থাকবে এবং অন্যরা তার অনুসরণ করবে।
- সালাতের জামাআতে নেতৃত্বের নিয়ম মানা উচিত।
