৪/২৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১১৯-[১] - উত্তম ব্যক্তি আযান ও ক্বারী ইমাম
ইমামতির বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
আযান দেবেন উত্তম ব্যক্তি, ইমাম হবেন ভালো ক্বারী
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১১৯-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১১৯-[১]
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «لِيُؤَذِّنْ لَكُمْ خِيَارُكُمْ وَلْيَؤُمَّكُمْ قُرَّاؤُكُمْ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরশাদ করেছেন : তোমাদের যে লোক সবচেয়ে উত্তম তারই আযান দেয়া উচিত। আর তোমাদের যে ব্যক্তি সবচেয়ে ভাল কারী তাকেই তোমাদের ইমামতি করা উচিত। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ৫৯০, ইবনু মাজাহ্ ৭২৬, বায়হাক্বী ১৯৯৮, য‘ঈফ আল জামি‘ ৪৮৬৬। কারণ এর সানাদে হুসায়ন বিন ‘ঈসা আল হানাফী সর্বসম্মতক্রমে একজন দুর্বল রাবী। ইমাম বুখারী (রহঃ) তাকে মুনকারুল হাদীস বলেছেন।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১১৯-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আযান ও ইমামতির বিষয়ে দুটি নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তোমাদের যে লোক উত্তম, সে আযান দেবে। আর তোমাদের যে ব্যক্তি ভালো ক্বারী, সে ইমামতি করবে। এখানে আযানকে সম্মানজনক দায়িত্ব হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা উত্তম ব্যক্তির হাতে দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে ইমামতির ক্ষেত্রে কুরআন পাঠের যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হাদিসটি জামাআতের দায়িত্ব বণ্টনের সুন্দর নীতি শেখায়। যিনি আযান দেবেন, তিনি ভালো চরিত্রের মানুষ হবেন; আর যিনি সালাতে নেতৃত্ব দেবেন, তিনি কুরআন ভালো পড়তে জানবেন। এতে সালাতের পরিবেশ সুন্দর ও শৃঙ্খলিত হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আযানের দায়িত্ব উত্তম ব্যক্তিকে দেওয়া উচিত।
- ইমামতির জন্য ভালো ক্বারীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
- জামাআতের দায়িত্ব যোগ্যতার ভিত্তিতে দেওয়া দরকার।
- কুরআন পাঠ শেখা ইমামতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
