৪/২৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৫১-[১০] - দ্বিতীয়বার ইশার সালাত নফল হওয়া
মুক্তাদির ওপর ইমামের যা অনুসরণ করা কর্তব্য এবং মাসবুকের হুকুম - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মু’আয রাঃ-এর দ্বিতীয় ইশা সালাত নফল ছিল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১৫১-[১০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১৫১-[১০]
وَعَنْهُ قَالَ: كَانَ مُعَاذٌ يُصَلِّىْ مَعَ النَّبِيِّ ﷺ الْعِشَاءَ ثُمَّ يَرْجِعُ إِلى قَوْمِه فَيُصَلِّىْ بِهِمُ الْعِشَاءَ وَهِيَ لَه نَافِلَة. أخرجه الشَّافِعِي فِي مُسْنده والطَّحَاوِي وَالدَّارَقُطْنِيّ وَالْبَيْهَقِيّ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মু’আয (রাঃ) নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে জামা'আতে ইশার সালাত আদায় করতেন। তারপর নিজ জাতির কাছে ফিরে এসে তাদের আবার ইশার সালাত আদায় করাতেন। তাঁর জন্যে তা ছিল নফল। (শাফিঈ তাঁর মুসনাদে, তুহাবী, দারাকুত্বনী ও বায়হাক্বী) [১]
[১] সহীহ : মুসনাদে শাফি‘ঈ ৩০৬, সুনান আস্ সগীর লিল বায়হাক্বী ৫২৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৫১-[১০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের বর্ণনার আরও স্পষ্ট রূপ এসেছে। মু’আয রাঃ নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে জামা’আতে ইশার সালাত আদায় করতেন। এরপর নিজের জাতির কাছে ফিরে গিয়ে তাদের আবার ইশার সালাত পড়াতেন। বর্ণনায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় সালাতটি তাঁর জন্য নফল ছিল। এখানে মূল বিষয় হলো, তিনি নিজের ফরয সালাত নবী صلى الله عليه وسلم-এর পেছনে আদায় করতেন এবং পরে লোকদের সুবিধার জন্য ইমামতি করতেন। এতে জামাত, নফল সালাত এবং অন্যদের সালাতে সাহায্য করার দিকটি বোঝা যায়। হাদিসটি এমন এক বাস্তব অবস্থার কথা বলে যেখানে একজন ব্যক্তি নিজে সালাত পড়ে নিয়েও অন্যদের ইমাম হতে পারেন। তবে বর্ণনার বাইরে অতিরিক্ত বিধান টানা উচিত নয়; এখানে শুধু মু’আয রাঃ-এর কাজ ও তার নফল হওয়ার কথা এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মু’আয রাঃ প্রথমে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে ইশা আদায় করতেন।
- নিজ জাতির লোকদের সালাত পড়াতে তিনি আবার ইমামতি করতেন।
- বর্ণনায় তাঁর দ্বিতীয় সালাতকে নফল বলা হয়েছে।
- অন্যদের সালাতের ব্যবস্থায় সাহায্য করা ভালো কাজ।
