৪/৩০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৯৮-[৩২] - বার্ধক্যে বসে নফল সালাত
সুন্নাত ও এর ফজিলত - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
বার্ধক্যে বসে নফল সালাত আদায়ের বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১৯৮-[৩২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১৯৮-[৩২]
وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللّهُ عَنْهَا قَالَتْ: لَمَّا بَدَّنَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ وَثَقُلَ كَانَ أَكْثَرُ صَلَاتِه جَالِسًا. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছলে বার্ধক্যের কারণে তিনি ভারী হয়ে গেলেন। তখন তিনি অনেক সময়ে নাফ্ল সালাতগুলো বসে বসে আদায় করতেন। (বুখারী, মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৫৯০, মুসলিম ৭৩২।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১৯৮-[৩২]-এর সারসংক্ষেপ
আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) জীবনের শেষ দিকে বার্ধক্যের কারণে ভারী হয়ে গেলে অনেক সময় তাঁর নফল সালাত বসে বসে আদায় করতেন। এই হাদিসে নফল সালাত এবং শরীরের অবস্থার কথা এসেছে। এখানে ফরয সালাতের কথা বলা হয়নি; তাই ব্যাখ্যায় সেটি মেশানো উচিত নয়। মূল বিষয় হলো, বয়স ও শারীরিক ভারের কারণে নফল সালাতে বসে আদায়ের বর্ণনা পাওয়া যায়। এতে ইবাদতের সহজতা এবং শরীরের অবস্থার দিকে খেয়াল রাখার শিক্ষা আছে। যারা বসে নফল নামাজ পড়া, অসুস্থ অবস্থায় নফল সালাত বা বার্ধক্যে সালাত নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস প্রাসঙ্গিক। তবে হাদিসে যতটুকু এসেছে, শুধু ততটুকুই বলা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (সা.) বার্ধক্যে অনেক সময় নফল সালাত বসে আদায় করতেন।
- এখানে নফল সালাতের কথা এসেছে, ফরয সালাতের নয়।
- শারীরিক অবস্থার কারণে ইবাদতে সহজতার দিক বোঝা যায়।
- ইবাদত চালিয়ে যাওয়ার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়।
