৪/৪৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৮২-[১২] - জুমার খুতবা চুপচাপ শোনার ফজিলত
জুমার সালাত ফরজ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
জুমার খুতবা চুপচাপ শোনার ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৩৮২-[১২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৩৮২-[১২]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللّهِ ﷺ قَالَ: «مَنِ اغْتَسَلَ ثُمَّ أَتَى الْجُمُعَةَ فَصَلّى مَا قُدِّرَ لَه ثُمَّ أَنْصَتَ حَتّى يَفْرُغَ مِنْ خُطْبَتِه ثُمَّ يُصَلِّيَ مَعَه غُفِرَ لَه مَا بَيْنَه وَبَيْنَ الْجُمُعَةِ الْأُخْرى وَفَضْلُ ثَلَاثَةِ أَيَّام».رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার সালাত আদায় করতে এসেছে ও যতটুকু সম্ভব হয়েছে সালাত আদায় করেছে, ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত চুপচাপ রয়েছে। এরপর ইমামের সাথে সালাত (ফরজ) আদায় করেছে। তাহলে তার এ জুমা থেকে বিগত জুমার মাঝখানে, বরং এর চেয়েও তিন দিন আগের গুনাহসমূহ মাফ করে দেয়া হবে। (মুসলিম) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৮৫৭।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৮২-[১২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জুমার সালাতের আগে ও খুতবার সময়ের আদব পরিষ্কারভাবে শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার সালাতে আসে, যতটুকু সম্ভব সালাত আদায় করে, তারপর ইমামের খুতবা শেষ হওয়া পর্যন্ত চুপচাপ থাকে এবং ইমামের সাথে ফরজ সালাত আদায় করে—তার জন্য বড় ক্ষমার কথা বলা হয়েছে। এখানে মূল বিষয় হলো, শুধু মসজিদে উপস্থিত হওয়া নয়; বরং গোসল, নফল সালাত, খুতবা শোনা এবং জামাতে ফরজ সালাত—সবগুলো আদব একসাথে পালন করা। জুমার খুতবা চুপচাপ শোনা তাই সাধারণ বিষয় নয়; এটি জুমার দিনের ফজিলত পাওয়ার একটি বড় কারণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জুমার আগে গোসল করে মসজিদে আসা সুন্দর প্রস্তুতির অংশ।
- খুতবা চলাকালীন চুপচাপ থাকা জুমার গুরুত্বপূর্ণ আদব।
- ইমামের সাথে ফরজ সালাত আদায় করা হাদিসে উল্লেখিত আমলের অংশ।
- এই আমলগুলো এক জুমা থেকে আরেক জুমা এবং অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহ মাফের কারণ।
