৬/১. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০১-[৮] - যাকাত আদায়ে ন্যায়ের সতর্কতা

যেসব জিনিসের যাকাত দিতে হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

যাকাত আদায়ে ন্যায় ও সীমা মানার শিক্ষা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৮০১-[৮]

وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «الْمُعْتَدِىْ فِي الصَّدَقَةِ كَمَانِعِهَا». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِيُّ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ (নিসাবের চেয়ে) বেশি যাকাত গ্রহণকারী যাকাত অস্বীকারকারীর সমান (অর্থাৎ যাকাত না দেয়া যেমন গুনাহ তেমনি পরিমাণের চেয়ে বেশি যাকাত উসুল করাও গুনাহ। (আবু দাউদ, তিরমিযী) [১]

[১] হাসান সহীহ : আত্ তিরমিযী ৬৪৬, আবূ দাঊদ ১৫৮৫, ইবনু মাজাহ্ ১৮০৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৭২৮০, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১৫৯৭, সহীহ আত্ তারগীব ৭৮৫, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৬৭১৯।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০১-[৮]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যাকাত আদায়ের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। যাকাত শুধু দাতার দায়িত্ব নয়; যিনি যাকাত গ্রহণ বা উসুলের দায়িত্বে থাকেন, তারও বড় আমানত আছে। নিসাবের চেয়ে বেশি যাকাত গ্রহণ করা অন্যায়। হাদিসে এমন ব্যক্তিকে যাকাত অস্বীকারকারীর সমান বলা হয়েছে। অর্থাৎ যে যাকাত দেয় না, সে যেমন গুনাহের পথে যায়, তেমনি যে হক থেকে বেশি নেয়, সেও সীমা লঙ্ঘন করে। এখানে মূল শিক্ষা হলো যাকাত আদায়ে ন্যায়, সততা ও পরিমাপের হক রক্ষা করা। যাকাতের নামে কারও ওপর বাড়তি চাপ দেওয়া ইসলাম পছন্দ করে না। তাই যাকাত আদায়ের কাজ হলে হিসাব, পরিমাণ ও মানুষের হক—সবকিছু সতর্কভাবে দেখা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যাকাত আদায়ে দাতা ও গ্রহণকারী—দুজনেরই সততা দরকার।
  • নিসাবের চেয়ে বেশি নেওয়া যাকাতের হক নষ্ট করার শামিল।
  • দ্বীনি কাজের দায়িত্ব পেলেও সীমা মানা জরুরি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন