৬/১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০২-[৯] - শস্য ও খেজুরের যাকাতের নিসাব
যেসব জিনিসের যাকাত দিতে হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
শস্য ও খেজুরের যাকাত: পাঁচ ওয়াসাকের নিসাব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৮০২-[৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৮০২-[৯]
وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ قَالَ: «لَيْسَ فِي حَبٍّ وَلَا تَمْرٍ صَدَقَةٌ حَتّى يَبْلُغَ خَمْسَةَ أَوْسُقٍ». رَوَاهُ النَّسَائِيّ
আবূ সা‘ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ শস্য ও খেজুর ৫ ওয়াসাক পরিমাণ না হওয়া পর্যন্ত যাকাত ওয়াজিব হবে না। (নাসায়ী) [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ৯৭৯, নাসায়ী ২৪৮৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৭৪৭০, ইরওয়া ৩/৮০১।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০২-[৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم) শস্য ও খেজুরের যাকাতের জন্য একটি স্পষ্ট সীমা বলেছেন। পাঁচ ওয়াসাক পরিমাণ না হলে যাকাত ওয়াজিব হবে না। তাই ফসলের যাকাত বুঝতে হলে আগে নিসাব জানা দরকার। হাদিসটি আমাদের শেখায় যে যাকাত আবেগের বিষয় নয়; এটি নির্দিষ্ট পরিমাণ, মাল ও শর্তের সঙ্গে যুক্ত একটি ইবাদত। কারও অল্প ফসল হলেই তার ওপর যাকাত চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। আবার নিসাব পূর্ণ হলে সেই হক আদায় করাও জরুরি। শস্যের যাকাত, খেজুরের যাকাত এবং ফসলের নিসাব—এসব বিষয়ে এই হাদিস সহজ ও মূল নির্দেশনা দেয়। এতে যাকাতদাতা ও যাকাত গ্রহণকারী উভয়ের জন্য মাপ ঠিক রাখার শিক্ষা আছে। অল্প ফসলের মালিককে বাড়তি চাপ দেওয়া থেকে এ শিক্ষা রক্ষা করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ফসলের যাকাতের আগে নিসাব দেখা দরকার।
- পাঁচ ওয়াসাকের কম শস্য বা খেজুরে যাকাত নেই।
- যাকাতের বিধান নির্দিষ্ট মাপ ও শর্তের ওপর চলে।
