৬/১. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০৬-[১৩] - খেজুর পাকলে পরিমাণ আন্দাজের নিয়ম

যেসব জিনিসের যাকাত দিতে হয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

খেজুরের যাকাতে পাকলে পরিমাণ আন্দাজ

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৮০৬-[১৩]

وَعَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَبْعَثُ عَبْدَ اللهِ ابْنِ رَوَاحَةَ إِلى يَهُودٍ فَيَخْرُصُ النَّخْلَ حِينَ يَطِيْبُ قَبْلَ أَنْ يُؤْكَلَ مِنْهُ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوُدَ

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু রওয়াহাকে (খায়বারের) ইয়াহুদীদের কাছে পাঠাতেন। তিনি সেখানে গিয়ে খেজুরের পরিমাণ অনুমান করতেন। তখন তা’ মিষ্টি হত, কিন্তু খাবার উপযুক্ত হত না। (আবু দাউদ) [১]

[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ১৬০৬, শারহুস্ সুন্নাহ্ ২১৭৭। আলবানী (রহঃ) বলেছেন, হাজ্জাজ এবং ইবনু জুরাইজ এর মাঝে একজন ব্যক্তি রয়েছে যিনি অপরিচিত।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮০৬-[১৩]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে দেখা যায়, নবী (صلى الله عليه وسلم) ‘আব্দুল্লাহ ইবনু রওয়াহা (রাঃ)-কে খায়বারের ইয়াহুদীদের কাছে পাঠাতেন। তিনি সেখানে গিয়ে খেজুরের পরিমাণ আন্দাজ করতেন। বর্ণনায় বলা হয়েছে, তখন খেজুর মিষ্টি হয়ে যেত, কিন্তু খাওয়ার উপযুক্ত হত না। এর মানে, ফল পুরোপুরি খাওয়ার আগেই তার সম্ভাব্য পরিমাণ দেখা হত। যাকাতের হিসাব শুধু ঘরে তোলা ফলের ওপর নয়; ফলের অবস্থা, পাকার ধাপ এবং পরিমাণ বোঝার সঙ্গেও যুক্ত হতে পারে। হাদিসটি খেজুরের যাকাত, খারস বা আন্দাজ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির কাজের একটি সহজ ছবি দেয়। এখানে অতিরিক্ত কোনো বিধান না বাড়িয়ে মূল ঘটনাটুকু বোঝাই যথেষ্ট। এতে দেখা যায়, যাকাতের কাজে সময় নির্বাচন ও ফলের অবস্থা বুঝে কাজ করা দরকার।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • যাকাতের হিসাবের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে পাঠানো হতে পারে।
  • খেজুর পাকতে শুরু করলে তার পরিমাণ আন্দাজ করা হয়েছে।
  • যাকাতের কাজে মাঠের বাস্তব অবস্থা দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন