৬/৩. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮৩১-[১১] - একই বিধানের আরেক বর্ণনা
যাকাত যাদের জন্য হালাল নয় - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ধনী ও কর্মক্ষমের জন্য যাকাত নয়—আরেক বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৮৩১-[১১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৮৩১-[১১]
وَرَوَاهُ أَحْمَدُ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ عَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এ হাদীসটিকে আহ্মাদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।[১]
[১] সহীহ : নাসায়ী ২৫৯৭, ইবনু মাজাহ্ ১৮৩৯, আহমাদ ৯০৬১, ইবনু খুযায়মাহ্ ২৩৮৭, দারাকুত্বনী ১৯৮৯, মুসতাদরাক লিল হাকিম ১৪৭৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৮৩১-[১১]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, আগের হাদিসের অর্থ আহমাদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ আবূ হুরায়রা রা. থেকেও বর্ণনা করেছেন। তাই এখানে মূল শিক্ষা আগের বক্তব্যের সঙ্গেই যুক্ত: যাকাতের মাল ধনী ব্যক্তি বা সুস্থ-সবল কর্মক্ষম মানুষের জন্য নয়। এই হাদিস নিজে বড় কোনো নতুন ঘটনা বর্ণনা করছে না; বরং একই বিধানের আরেক সূত্রের কথা জানাচ্ছে। তাই ব্যাখ্যার সময় সতর্ক থাকতে হবে—এখানে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বানানো যাবে না। মূল বার্তা হলো, যাকাতের হকদার নির্ধারণে সম্পদ ও উপার্জনক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। ‘যাকাতের হকদার কারা’ জানতে গেলে এই ধরনের বর্ণনা বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- একই বিধান একাধিক সূত্রে বর্ণিত হতে পারে।
- যাকাতের মাল ধনী ও কর্মক্ষমের জন্য নয়—এ শিক্ষা পুনরায় জোর পেয়েছে।
- যাকাত দেওয়ার আগে প্রাপকের প্রয়োজন বোঝা জরুরি।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনার ওপর অতিরিক্ত দাবি বসানো ঠিক নয়।
