৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫৬-[৪৮] - যিলযাল, ইখলাস ও কাফিরূনের সাওয়াব
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
যিলযাল, ইখলাস ও কাফিরূনের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৫৬-[৪৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৫৬-[৪৮]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهُمْ قَالَا: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: ﴿إِذَا زُلْزِلَتِ﴾ تَعْدِلُ نِصْفَ الْقُرْاٰنِ، وَ ﴿قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ﴾. تَعْدِلُ ثُلُثُ الْقُرْاٰنِ، وَ ﴿قُلْ يٰاَ أَيُّهَا الْكٰفِرُوْنَ﴾. تَعْدِلُ رُبْعَ الْقُرْاٰنِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ (সওয়াবের দিক দিয়ে) সূরা ‘ইযা- যুলযিলাত’ কোরআনের অর্ধেকের সমান, ‘কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ’ (কোরআনের) এক-তৃতীয়াংশের সমান, ‘কুল ইয়া- আইয়ুহাল কা-ফিরূন’ এক-চতুর্থাংশের সমান। (তিরমিযী)[১]
[১] য‘ঈফ : তবে ‘‘সূরা আল ইখলাস ও সূরা আল কাফিরূন’’-এর ফাযীলাত ব্যতীত। তিরমিযী ২৮৯৪, মুসতাদারাক লিল হাকিম ২০৭৮, শু‘আবূল ঈমান ২২৮৪, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৩১, য‘ঈফাহ্ ১৩৪২। কারণ এর সানাদে ইয়ামান ইবনু আল মুগীরাহ্ একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫৬-[৪৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে তিনটি সূরার সাওয়াবের দিক থেকে বিশেষ মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সূরা ‘ইযা যুলযিলাত’ কুরআনের অর্ধেকের সমান, ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান, এবং ‘কুল ইয়া আইয়ুহাল কাফিরূন’ এক-চতুর্থাংশের সমান। এখানে মূল কথা হলো, ছোট সূরাগুলোর মধ্যেও বড় ফজিলত থাকতে পারে। অনেকেই সূরা ইখলাসের ফজিলত, সূরা যিলযালের সাওয়াব বা সূরা কাফিরূন সম্পর্কে জানতে চান; এই হাদিস তাদের জন্য সরল একটি নির্দেশনা দেয়। তবে এ ধরনের ফজিলত বোঝার সময় মনে রাখতে হবে, সাওয়াবের তুলনা মানে কুরআনের অন্য অংশ কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। পুরো কুরআনই আল্লাহর কালাম।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ছোট সূরাগুলোর ফজিলতও বড় হতে পারে।
- সূরা ইখলাসের এক-তৃতীয়াংশ কুরআনের সমান সাওয়াবের কথা এসেছে।
- সূরা যিলযাল ও কাফিরূনের বিশেষ মর্যাদাও বর্ণিত হয়েছে।
- ফজিলত শুনে কুরআনের সব অংশের প্রতি ভালোবাসা বাড়ানো উচিত।
