৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫৮-[৫০] - সূরা ইখলাস ২০০ বার পাঠ
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা ইখলাস ২০০ বার পাঠের ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৫৮-[৫০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৫৮-[৫০]
وَعَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ قَالَ: «مَنْ قَرَأَ كُلَّ يَوْمٍ مِائَتَىْ مَرَّةٍ (﴿قُلْ هُوَ اللهُ أَحَدٌ﴾ مُحِىَ عَنْهُ ذُنُوبُ خَمْسِينَ سَنَةً إِلَّا أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ دَيْنٌ». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَالدَّارِمِىُّ وَفِىْ رِوَايَتِه «خَمْسِينَ مَرَّةٍ» وَلَمْ يَذْكُرْ «إِلَّا أَنْ يَكُونَ عَلَيْهِ دِيْنٌ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
যে ব্যক্তি প্রত্যেক দিন দুইশ বার সূরা ‘কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ’ পড়বে তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেয়া হবে। যদি তার ওপর কোন ঋণের বোঝা না থাকে। (তিরমিযী ও দারিমী। কিন্তু দারিমীর বর্ণনায় [দুইশ বারের জায়গায়] পঞ্চাশ বারের কথা উল্লেখ হয়েছে। তিনি ঋণের কথা উল্লেখ করেননি।)[১]
[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ২৮৯৮, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৯৭৫, য‘ঈফ আল জামি‘ ৫৭৮৩, য‘ঈফাহ্ ৩০০, দারিমী, ৩৪৪১ য‘ঈফ আত্ তারগীব ৯৭৫। কারণ এর সানাদে রাবী হাতিম ইবনু মায়মূন মুনকারুল হাদীস। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেছেন, সে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৫৮-[৫০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে প্রতিদিন সূরা ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ পাঠের একটি ফজিলত এসেছে। বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি প্রতিদিন দুইশ বার সূরা ইখলাস পড়বে, তার পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে, যদি তার ওপর ঋণের বোঝা না থাকে। দারিমীর বর্ণনায় দুইশ বারের জায়গায় পঞ্চাশবার উল্লেখ আছে এবং সেখানে ঋণের কথা নেই। এই পার্থক্য দেখায় যে, ফজিলতের হাদিসে বর্ণনার ভিন্নতা থাকতে পারে। মূল শিক্ষা হলো, সূরা ইখলাস নিয়মিত পড়া আল্লাহর একত্বের কথা মনে করায় এবং মাগফিরাতের আশা জাগায়। তবে ঋণের বিষয়টি হাদিসে এসেছে বলে মানুষের হককে হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়ার সাথে মানুষের পাওনাও গুরুত্ব পায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ইখলাস নিয়মিত পাঠের ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
- ঋণের বিষয়টি মানুষের হকের গুরুত্ব স্মরণ করায়।
- একই বিষয়ে বর্ণনায় সংখ্যার ভিন্নতা থাকতে পারে।
- মাগফিরাতের আশার সাথে দায়িত্বশীল জীবনও জরুরি।
