৮/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৬০-[৫২] - সূরা ইখলাস পাঠে জান্নাতের আশা
কুরআনের মর্যাদা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
সূরা ইখলাস পাঠে জান্নাতের সুসংবাদ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২১৬০-[৫২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২১৬০-[৫২]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ سَمِعَ رَجُلًا يَقْرَأُ ﴿قُلْ هُوَ اللّٰهُ أَحَدٌ﴾ فَقَالَ: «وَجَبَتْ» قُلْتُ: وَمَا وَجَبَتْ؟ قَالَ: «الْجَنَّةَ». رَوَاهُ مَالِكٌ وَالتِّرْمِذِىُّ وَالنَّسَائِىُّ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এক ব্যক্তিকে ‘কুল হুওয়াল্ল-হু আহাদ’ পড়তে শুনে বললেন, সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। আমি শুনে বললাম, কি সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে (হে আল্লাহর রাসূল) উত্তরে তিনি (ﷺ) বললেন, ‘জান্নাত’। (মালিক, তিরমিযী ও নাসায়ী)[১]
[১] সহীহ : তিরমিযী ২৮৯৭, নাসায়ী ৯৯৪, আহমাদ ১০৯১৯, মুসতাদারাক লিল হাকিম ২০৭৯।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২১৬০-[৫২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সূরা ইখলাসের ফজিলত খুব সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীরভাবে এসেছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে ‘কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ’ পড়তে শুনে বললেন, ‘সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে।’ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, ‘জান্নাত।’ এখানে সূরা ইখলাস পাঠের সাথে জান্নাতের সুসংবাদ এসেছে। সূরা ইখলাস আল্লাহর একত্ব, অমুখাপেক্ষিতা এবং তাঁর তুলনাহীন হওয়ার ঘোষণা দেয়। তাই এই সূরা শুধু মুখে পড়ার মতো ছোট একটি সূরা নয়; এটি ঈমানের মূল কথাগুলো মনে করিয়ে দেয়। হাদিসটি আমাদের শেখায়, আল্লাহর তাওহীদকে ভালোবেসে কুরআন পড়া মুমিনের জন্য বড় আশা ও আনন্দের কারণ। তবে জান্নাত আল্লাহর দয়া, তাই তিলাওয়াতের সাথে ঈমান ও আমলের যত্নও জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূরা ইখলাস পাঠের বড় ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
- এই সূরা আল্লাহর একত্বের মূল শিক্ষা মনে করায়।
- কুরআন শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উৎসাহ দেওয়া উম্মতের জন্য শিক্ষা।
- জান্নাতের আশা আল্লাহর দয়া ও ঈমানের সাথে যুক্ত।
