১১/০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩৬-[৩২] - হজ্জ-উমরাকারী আল্লাহর মেহমান

হজ্জ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

হজ্জ-উমরাকারী আল্লাহর মেহমান: দোয়া ও ক্ষমার আশা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৩৬-[৩২]

وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِىِّ ﷺ أَنَّه قَالَ: الْحَاجُّ وَالْعُمَّارُ وَفْدُ اللّٰهِ إِنْ دَعَوْهُ أَجَابَهُمْ وَإِنِ اسْتَغْفَرُوْهُ غَفرَ لَهُمْ. رَوَاهُ ابْنُ مَاجَهْ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি (ﷺ) বলেছেনঃ হজ্জ ও ‘উমরাহকারী হলো আল্লাহর দা‘ওয়াতী কাফেলা বা মেহমানী দল। অতএব তারা যদি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, তিনি তা কবূল করেন। আর যদি তারা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান, তিনি তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। (ইবনু মাজাহ)[১]

[১] য‘ঈফ : ইবনু মাজাহ ২৮৯২, মু‘জামুল আওসাত লিত্ব ত্ববারানী ৬৩১১, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১০৩৮৮, শু‘আবুল ঈমান ৩৮১১, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৬৯৩। কারণ এর সনদে রাবী সলিহ ইবনু ‘আব্দুল্লাহ একজন মুনকারুল হাদীস।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৩৬-[৩২]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে হজ্জ ও উমরাকারীদের “আল্লাহর দা‘ওয়াতী কাফেলা” বা মেহমানী দল বলা হয়েছে। এরপর বলা হয়েছে, তারা যদি আল্লাহর কাছে দু‘আ করে, আল্লাহ তাদের দু‘আ কবুল করেন; আর যদি ক্ষমা চায়, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দেন। এখানে হজ্জ-উমরার মর্যাদা এবং হাজী-উমরাকারীর দোয়ার গুরুত্ব এসেছে। হাদিসটি মানুষকে হজ্জ-উমরার সময় আল্লাহর কাছে বেশি করে চাওয়া, নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা এবং বিনয়ী থাকা শেখায়। তবে দোয়া কবুলের কথা থাকলেও বান্দার দায়িত্ব হলো আন্তরিকভাবে, আদবের সঙ্গে এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে দোয়া করা। হজ্জ-উমরার সফরকে তাই দোয়া, তাওবা ও আত্মশুদ্ধির সুযোগ হিসেবে নেওয়া উচিত।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • হজ্জ ও উমরাকারীদের আল্লাহর মেহমান বলা হয়েছে।
  • তাদের দোয়া ও ইস্তিগফারের মর্যাদা এসেছে।
  • হজ্জ-উমরার সময় বেশি করে ক্ষমা চাওয়া উচিত।
  • দোয়ার ক্ষেত্রে বিনয় ও আন্তরিকতা গুরুত্বপূর্ণ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন