১১/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৯৯-[৮] - লা শারীকা লাহু পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
আরাফায় অবস্থান প্রসঙ্গে - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
লা শারীকা লাহু পর্যন্ত তাওহীদের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৫৯৯-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৯৯-[৮]
وَرَوٰى مَالِكٌ عَنْ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللّٰهِ إِلٰى قَوْلِه: لَا شَرِيْكَ لَه
তালহা ইবনু 'উবায়দুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
ইবনু ‘উবায়দুল্লাহ হতে ‘‘লা- শারীকা লাহূ’’ বাক্য পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।)[১]
[১] য‘ঈফ : মুয়াত্ত্বা মালিক। কারণ এর সানাদটি মুরসাল।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৯৯-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত। এখানে বলা হয়েছে, ইমাম মালিক (রহঃ) তলহা ইবনু উবায়দুল্লাহ থেকে “লা শারীকা লাহু” পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। অর্থাৎ এখানে আগের দীর্ঘ যিকিরের একটি অংশ পর্যন্ত উল্লেখ এসেছে। তাই এই হাদিসের ব্যাখ্যায় অতিরিক্ত কথা যোগ না করে মূল কথাটিই ধরে রাখা উচিত। “লা শারীকা লাহু” বাক্যটি তাওহীদের একটি পরিষ্কার ঘোষণা—আল্লাহর কোনো শরীক নেই। তবে এই নির্দিষ্ট বর্ণনায় সম্পূর্ণ বাক্য বা আরাফার দিনের সব দোয়া বিস্তারিতভাবে আসেনি; শুধু ওই অংশ পর্যন্ত বর্ণনার কথা বলা হয়েছে। তাই এটি আরাফার দিনের দোয়া বিষয়ক সংক্ষিপ্ত রেওয়ায়াত হিসেবে বোঝা যায়। এর শিক্ষা হলো, তাওহীদের বাক্য সংক্ষিপ্ত হলেও বিশ্বাসের দিক থেকে গভীর।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই বর্ণনায় ‘লা শারীকা লাহু’ পর্যন্ত যিকিরের অংশ এসেছে।
- ‘লা শারীকা লাহু’ আল্লাহর শরীক না থাকার তাওহীদী ঘোষণা।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা হলে ব্যাখ্যাও সংক্ষিপ্ত সীমার মধ্যে রাখা উচিত।
- আরাফার দোয়া বিষয়ক দীর্ঘ বর্ণনার সঙ্গে এটি প্রাসঙ্গিকভাবে যুক্ত।
