১১/১০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৬৭-[৯] - তানঈম থেকে উমরা ও বিদায়ী তাওয়াফ

কুরবানির দিনের ভাষণ, আইয়ামে তাশরিকে পাথর মারা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা - প্রথম অনুচ্ছেদ

তানঈম থেকে উমরা ও নবীজির অপেক্ষা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৬৭-[৯]

وَعَنْهَا قَالَتْ: أَحْرَمْتُ مِنَ التَّنْعِيمِ بِعُمْرَةٍ فَدَخَلْتُ فَقَضَيْتُ عُمْرَتِىْ وَانْتَظَرَنِىْ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ بِالْأَبْطَحِ حَتّٰى فَرَغْتُ فَأَمَرَ النَّاسَ بِالرَّحِيلِ فَخَرَجَ فَمَرَّ بِالْبَيْتِ فَطَافَ بِه قَبْلَ صَلَاةِ الصُّبْحِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الْمَدِينَةِ.هٰذَا الْحَدِيثُ مَا وَجَدْتُه بِرِوَايَةِ الشَّيْخَيْنِ بَلْ بِرِوَايَةِ أَبِىْ دَاوُدَ مَعَ اخْتِلَافٍ يَسِيْرٍ فِى اٰخِرِه

'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি তান্‘ঈম হতে উমরার ইহরাম বাঁধলাম এবং মাক্কায় পৌঁছে আমি আমার কাযা উমরা আদায় করলাম। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) আবত্বাহ-এ এসে আমার জন্যে অপেক্ষা করলেন যতক্ষণ পর্যন্ত আমি অবসর না হলাম (উমরা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত)। তারপর তিনি (ﷺ) লোকদেরকে (মাদীনার দিকে) রওয়ানা হতে আদেশ করলেন এবং নিজেও (মক্কার দিকে) রওয়ানা হলেন। আর বায়তুল্লাহ পৌঁছে ফজরের সালাতের আগেই (বিদায়ী) তাওয়াফ করলেন। অতঃপর মাদীনার দিকে রওয়ানা হলেন। (মিশকাত গ্রন্থকার বলেন, ইমাম বাগাবী এ হাদীসকে প্রথম অনুচ্ছেদে স্থান দিলেও আমি তা বুখারী, মুসলিমে পাইনি; তবে কিছু এর শেষে তারতম্যসহ আবূ দাঊদে রয়েছে।)[১]

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২০০৫।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৬৭-[৯]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) নিজের উমরার ঘটনা বর্ণনা করেছেন। তিনি তানঈম থেকে উমরার ইহরাম বাঁধেন, মক্কায় এসে উমরা সম্পন্ন করেন। রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) আবতাহে তাঁর জন্য অপেক্ষা করেন, যতক্ষণ না তিনি উমরা শেষ করেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) লোকদের রওয়ানা হওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি নিজেও বের হন এবং বায়তুল্লাহর কাছে গিয়ে ফজরের সালাতের আগে তাওয়াফ করেন। তারপর মাদীনার দিকে রওয়ানা হন। বর্ণনার শেষে মিশকাত গ্রন্থকার বলেছেন, তিনি এ হাদিস বুখারী-মুসলিমে পাননি; আবূ দাঊদে কিছু তারতম্যসহ আছে। তাই এই হাদিসে তানঈম থেকে উমরা, অপেক্ষা এবং বিদায়ের আগে তাওয়াফের ধারাবাহিকতা দেখা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তানঈম থেকে আয়িশা (রাঃ) উমরার ইহরাম বেঁধেছেন।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর উমরা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন।
  • রওয়ানার আগে বায়তুল্লাহর তাওয়াফের কথা এসেছে।
  • বর্ণনার উৎস সম্পর্কে গ্রন্থকার সতর্ক মন্তব্য করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন