১১/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৬-[৯] - ইহরামে চোখের ব্যথার চিকিৎসা
ইহরাম অবস্থায় যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে - প্রথম অনুচ্ছেদ
ইহরামে চোখের ব্যথার চিকিৎসা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৮৬-[৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৮৬-[৯]
وَعَنْ عُثْمَانَ حَدَّثَ عَنْ رَسُولِ اللّٰهِ ﷺ فِى الرَّجُلِ إِذَا اشْتَكٰى عَيْنَيْهِ وَهُوَ مُحْرِمٌ ضَمَّدَهُمَا بِالصَّبْرِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসুলুল্লাহ (ﷺ) হতে ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় চোখে ব্যথা অনুভব করে সে মুসাববার দিয়ে পট্টি বাঁধবে। (মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : মুসলিম ১২০৪, দারিমী ১৯৭১, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ২৬৫৪, সহীহ আল জামি‘ ৩৪৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৬-[৯]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে এমন ব্যক্তির কথা এসেছে, যে ইহরাম অবস্থায় চোখে ব্যথা অনুভব করে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত নির্দেশ হলো, সে মুসাববার দিয়ে চোখে পট্টি বাঁধবে। এখানে মূল শিক্ষা হলো ইহরাম অবস্থায় চোখের চিকিৎসা। হাদিসটি দেখায়, ইহরাম অবস্থায় কষ্ট হলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় এসেছে। তবে এই বর্ণনায় শুধু চোখের ব্যথা এবং মুসাববার দিয়ে পট্টি বাঁধার কথা আছে। তাই এটিকে সব ধরনের চিকিৎসার সাধারণ আলোচনা বানানো উচিত নয়। হজ বা উমরায় থাকা মানুষ অনেক সময় স্বাস্থ্য সমস্যার মুখে পড়তে পারেন। এই হাদিস তাদের বুঝতে সাহায্য করে যে ইহরামের আদব মানার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার কথাও শরিয়তের আলোচনায় এসেছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় চোখের ব্যথা হলে চিকিৎসার নির্দেশ এসেছে।
- মুসাববার দিয়ে চোখে পট্টি বাঁধার কথা হাদিসে স্পষ্টভাবে আছে।
- ইহরামে কষ্ট হলে তা অবহেলা করার শিক্ষা এখানে নেই।
- ব্যাখ্যা শুধু হাদিসে বলা চিকিৎসা পর্যন্ত সীমিত রাখা উচিত।
