১১/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৫-[৮] - ইহরামে শিঙ্গা লাগানোর বর্ণনা
ইহরাম অবস্থায় যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে - প্রথম অনুচ্ছেদ
ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৮৫-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৮৫-[৮]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ: اِحْتَجَمَ النَّبِىُّ ﷺ وَهُوَ مُحْرِمٌ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৮৩৫, মুসলিম ১২০২, নাসায়ী ২৮৪৭, আবূ দাঊদ ১৮৩৫, তিরমিযী ৮৩৯, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১৪৫৯১, আহমাদ ১৯২৩, মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১০৮৫৩, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯১৪৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৫-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস রাঃ বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। হাদিসের মূল বিষয় হলো ইহরাম অবস্থায় চিকিৎসা। এখানে শিঙ্গা লাগানোর কথা এসেছে, কিন্তু তার বিস্তারিত কারণ এই বর্ণনায় বলা হয়নি। তাই ব্যাখ্যায় শুধু এতটুকু বলা নিরাপদ যে, ইহরাম অবস্থায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা বা শরীরের যত্নের বিষয়টি এই হাদিসে দেখা যায়। ইহরাম একটি ইবাদতের বিশেষ অবস্থা, তবে তা মানুষকে চিকিৎসা থেকে পুরোপুরি দূরে রাখে—এমন কথা এই বর্ণনায় নেই। একই সঙ্গে এই হাদিসকে চুল কাটা, সুগন্ধি ব্যবহার বা অন্য কাজের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা ঠিক নয়। যারা হজে স্বাস্থ্য সমস্যা, শিঙ্গা লাগানো বা ইহরামে চিকিৎসা নিয়ে জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم শিঙ্গা লাগিয়েছেন—এটি সরাসরি বর্ণিত।
- ইহরামে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা যায়।
- এই হাদিসে শুধু শিঙ্গা লাগানোর কথা আছে, অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়।
- হজের ইবাদতে শরীরের যত্নও বাস্তবভাবে বিবেচিত হয়েছে।
