১১/১১. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৪-[৭] - ইহরামে মাথা ধোয়ার শিক্ষা
ইহরাম অবস্থায় যা থেকে বেঁচে থাকতে হবে - প্রথম অনুচ্ছেদ
ইহরাম অবস্থায় মাথা ধোয়া
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৮৪-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৮৪-[৭]
وَعَن أَبِىْ أَيُّوْبَ: أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ كَانَ يَغْسِلُ رَأْسَه وَهُوَ مُحْرِمٌ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আবূ আইয়ূব আল আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) ইহরাম অবস্থায় নিজের মাথা ধুতেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৮৪০, মুসলিম ১২০৫।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৮৪-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আবূ আইয়ূব রাঃ থেকে বর্ণিত হয়েছে যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম অবস্থায় নিজের মাথা ধুতেন। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু ইহরামের সময় পরিচ্ছন্নতার একটি সহজ দিক তুলে ধরে। ইহরাম মানে শরীরকে কষ্টে ফেলা নয়; বরং আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সীমা মানা। মাথা ধোয়ার বিষয়টি এখানে সেই সীমার ভেতরে একটি স্বাভাবিক পরিচর্যার কাজ হিসেবে এসেছে। তবে এই হাদিসে সুগন্ধি, চুল কাটা বা অন্য কোনো আলাদা কাজের কথা নেই, তাই ব্যাখ্যাও শুধু মাথা ধোয়ার মধ্যেই সীমিত রাখা উচিত। ব্যবহারকারীরা সাধারণত ইহরাম অবস্থায় গোসল, মাথা ধোয়া, হজের পরিচ্ছন্নতা—এসব শব্দ দিয়ে এ বিষয়ে জানতে চান।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইহরাম অবস্থায় পরিচ্ছন্নতার প্রয়োজনকে অবহেলা করা হয়নি।
- নবী صلى الله عليه وسلم ইহরামে নিজের মাথা ধুতেন—এটি সরাসরি বর্ণনায় এসেছে।
- হাদিসে যা এসেছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমার মধ্যে রাখা উচিত।
- ইহরামের আদব মানে অযথা কষ্ট নেওয়া নয়।
