৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৪-[৮৭] - উত্তম ওজুতে গুনাহ ঝরে যায়
পাক-পবিত্রতা - প্রথম অনুচ্ছেদ
উত্তম ওজুতে গুনাহ মাফের আশার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৮৪-[৮৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৮৪-[৮৭]
وَعَنْ عُثْمَانَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ خَرَجَتْ خَطَايَاهُ مِنْ جَسَدِه حَتّى تَخْرُجَ مِنْ تَحْتِ أَظْفَارِه. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
উসমান (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওজু করে এবং উত্তমভাবে ওজু করে, তার শরীর হতে তার সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, এমনকি তার নখের নিচ হতেও তা বের হয়ে যায়। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ২৪৫। মিশকাত গ্রন্থকার বলেন, আমি বুখারীতে এ হাদীসটি পাইনি।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৪-[৮৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে উত্তমভাবে ওজু করার বড় ফজিলত এসেছে। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم বলেছেন, যে ব্যক্তি ওজু করে এবং তা সুন্দরভাবে করে, তার শরীর থেকে গুনাহ বের হয়ে যায়; এমনকি নখের নিচ থেকেও বের হয়ে যায়। এখানে ওজুর বাহ্যিক কাজের সঙ্গে ভেতরের পবিত্রতার সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে। একজন মানুষ যখন ওজুর অঙ্গগুলো ঠিকভাবে ধোয়, তখন সে শুধু পানি ব্যবহার করছে না; বরং আল্লাহর নির্দেশ মেনে ইবাদতের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে। হাদিসের ভাষা আমাদের অলস বা তাড়াহুড়োর ওজু থেকে সতর্ক করে। সুন্দর ওজু মানে অঙ্গগুলো যথাযথভাবে ধোয়া এবং সালাতের আগে নিজেকে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর জন্য প্রস্তুত করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওজু সুন্দরভাবে করা গুনাহ মাফের কারণ হতে পারে।
- ওজু শুধু শরীর ধোয়া নয়; এটি ইবাদতের প্রস্তুতি।
- তাড়াহুড়ো না করে অঙ্গগুলো ঠিকভাবে ধোয়া উচিত।
- নখের নিচ পর্যন্ত গুনাহ বের হওয়ার কথা ওজুর ফজিলত দেখায়।
